প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেষ পর্যন্ত জানা গেছে, কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয়। নিহত ওই ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম (৫২)।
তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার পূর্ব সাগরদী গ্রামের মৃত ওয়ালীউল্লাহর ছেলে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে ‘লাকসামে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু’ এই শিরোনামে কালের কণ্ঠ’র অনলাইন সংস্করণে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে লাকসাম রেলওয়ে থানায় (জিআরপি) এসে নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম মরদেহটি তার স্বামীর বলে শনাক্ত করেন।
লাকসাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খোন্দকার এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাকসাম রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগেরদিন শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় একটি মালবাহী ট্রেনে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। সংবাদ পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার সময় তার পরণে ছিল নীল রংয়ের হাফপ্যান্ট, লাল-সাদা রঙের টি-শার্ট এবং নীল রঙের কাপড়ের জুতা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় না পাওয়ায় তাঁকে অজ্ঞাত হিসেবে রেলওয়ে থানায় রাখা হয়।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কিছু দিন আগে রফিকুল ইসলাম ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর থেকেই তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তিনি প্রায়ই একা বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন। ফলে তার পরিবারের লোকজন তাকে ঘরের ভেতরে রেখে বাইরে দরজা আটকিয়ে দিতেন। কিন্তু ঘটনার দিন পরিবারের লোকজন ভুলক্রমে ঘরের দরজা লাগাতে ভুলে যান।
তিনি কোনো এক ঝঞ্ঝাটের মাঝে সবার অলক্ষ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে পরিবারের লোকজন আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজখুঁজি করার পরও তার সন্ধান পাননি। পরে লাকসাম রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে কাটা পড়ে ৫০ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ আসে এবং সেই অনুযায়ী লাকসাম রেলওয়ে থানায় এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
লাকসাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খোন্দকার জানিয়েছেন, রবিবার আইনি প্রক্রিয়ার পর ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন