প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ল্যাবে তৈরি সিনথেটিক বা কৃত্রিম মাদকের ‘নীরব সুনামি’ বাংলাদেশে মাদকের অন্ধকার জগতে শুরু হয়েছে। ইয়াবা এবং গাঁজার চিরাচরিত বলয় ভেঙে এখন বাজারে অত্যন্ত শক্তিশালী ও মরণনেশা সব সিনথেটিক মাদক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গত ছয় বছরের পরিসংখ্যান নির্দেশ করছে, দেশে সিনথেটিক নেশায় আসক্তের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। এই সময়ে দেশে মাদকের বহরে এমডিএমবি, এমডিএমএ বা ডিএমটির মতো অপরিচিত মাদক যুক্ত হয়েছে।
মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লা বলেছেন, ‘পুরো বিশ্বে সিনথেটিক মাদক আসক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদক মাফিয়ারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মাদক ল্যাবে তৈরি করছে। সেই ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশেও।’
সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মজিবুর রহমান পাটোয়ারী মন্তব্য করেছেন, ‘ল্যাবে তৈরি সিনথেটিক মাদক দ্রুত আসক্তি তৈরি করে। দ্রুত ক্রেজ সৃষ্টি করে। আসক্তরা প্রাকৃতিক মাদকের চেয়ে সিনথেটিক মাদক দিকে ঝুঁকছেন। তাই ল্যাবে তৈরি মাদক আসক্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।’
দেশে সিনথেটিক মাদকের চাহিদা বৃদ্ধি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপপরিচালক মানজারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ল্যাবে তৈরি নতুন সিনথেটিক মাদক শিডিউলভুক্ত না হওয়ায় পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা কিছুটা জটিল। শিডিউলভুক্ত মাদকের তুলনায় বেচাবিক্রি এবং বহন করা অনেকটা সহজ। এছাড়া, প্রাকৃতিক মাদকের চেয়ে সিনথেটিক মাদক দ্রুত আসক্তি তৈরি করে। এ কারণে দেশে সিনথেটিক মাদকের চাহিদা বাড়ছে।’ সিনথেটিক মাদক ব্যবহার বৃদ্ধির ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন