প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হওয়া ১৭ জন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিককে জামিন প্রদান করেছে। বিচারক অনিমেষ কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা সকলেই অল্পবয়সি এবং পেশাদার অপরাধী নয়।
গত ৫ অক্টোবর, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন ১৭ জনকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। সোমবার রাতে ধৃতদের আদালতে হাজির করে পুলিশ তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন করে। পুলিশের অভিযোগ ছিল, অভিযুক্তরা ১৬৩ ধারা (পুরোনো ১৪৪ ধারা) উপেক্ষা করে বেআইনিভাবে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশকে হেনস্থা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগও রয়েছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মারধরে এক মহিলা কনস্টেবলও জখম হন।
অভিযুক্তদের আইনজীবী সাইমন ফারুকি আদালতে বলেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগের সর্বোচ্চ সাজা সাত বছরের কম কারাবাস। তাই তাঁদের গ্রেফতার করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারীর মধ্যে মাত্র ১৭ জনকে বেছে বেছে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার কোনো সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি, এই বিষয়টিতেও জোর দেন অভিযুক্তদের আইনজীবী।
দুই পক্ষের সওয়াল শুনে আদালত জানায়, অভিযোগগুলো যথেষ্ট গুরুতর। একজন পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, যে কেউ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার রাখে। তবে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর হামলা একটি গুরুতর বিষয়। তা কখনও বরদাশত করা যায় না। তবুও, অভিযুক্তরা অল্পবয়সি এবং স্বভাবগতভাবে অপরাধী না হওয়ায় তাঁদের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। ১৫ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের জামিন দেওয়া হয়েছে।
তবে আদালত কিছু শর্ত আরোপ করেছে। জামিনে থাকাকালীন অভিযুক্তরা নতুন করে কোনো অপরাধমূলক কাজে যুক্ত হতে পারবেন না। তাঁদের ঠিকানা আদালতে জমা দিতে হবে।
তাঁদের মোবাইল ফোন সব সময় চালু রাখতে হবে। আদালতে মামলার শুনানির সময় হাজির থাকতে হবে। আদালতের পূর্ব অনুমতি ছাড়া তাঁরা দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না। সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন