প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক, বলেছেন যে, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার জন্য রাজপথে নামেনি অটোপাসের দাবিতে বা পরীক্ষা বাতিলের উদ্দেশ্যে। তারা নামার কারণ হলো বন্যা, জলাবদ্ধতা এবং চরম দুর্ভোগের মধ্যে তারা যাতে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারে, সে জন্যে। শিক্ষার্থীরা যাতে বারবার পরিবর্তিত পরীক্ষা-পদ্ধতির পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ‘গিনিপিগ’ না হতে হয়, সেটাও উদ্দেশ্য। এটি একটি যৌক্তিক, মানবিক এবং ন্যায্য আন্দোলন।
তিনি তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে রাজপথে যায়নি। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তিরা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিয়ে আন্দোলনটিকে রাজনৈতিক রঙ দেয়ার চেষ্টা করছেন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা, গ্রেফতার, হয়রানি এবং ভীতিকর পরিবেশ নির্মাণ হচ্ছে।
পাটওয়ারী জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের ফোনে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিচয়ে হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তা খুবই উদ্বেগজনক এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জার বিষয়।
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যে, শিক্ষার্থীদের ভয় প্রদর্শন, গ্রেফতারের হুমকি এবং হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানের জন্য শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমেই কাজ করা উচিত। সরকারকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে তাদের বক্তব্য শুনে যৌক্তিক সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করার জন্য আহ্বান জানান।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, মনে রাখা উচিত, শিক্ষার্থীরা সন্ত্রাসী নয়। ভিন্নমত প্রকাশ করলেই তাদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে সামাজিক এবং মানবিকভাবে হেনস্তা করা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয় হতে পারে না।
তিনি বলেন, সরকারকে সংযম, সংলাপ ও সমাধানের পথ বেছে নিতে হবে। না হলে একটি সমাধানযোগ্য সংকট অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় সামাজিক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে। একই সাথে, গণতন্ত্রে নাগরিকের পরামর্শকে ‘উসকানি’ বা ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে উল্লেখ না করে, দায়িত্বশীল রাষ্ট্র পরিচালনার অংশ হিসেবে হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন