প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের আসামের জোড়হাটে অবস্থিত ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যখন বিমানটি অবতরণ করে, তখন এতে আগুন ধরে যায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার (১৩ জুন) রাজ্যের জোড়হাট বিমান ঘাঁটিতে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অবতরণের সময় বিমান বাহিনী স্টেশন চত্বরের ভেতরেই এএন-৩২ বিমানটি আছড়ে পড়ে। ঠিক সেই সময়েই বিমানটিতে আগুন প্রকট হয়ে ওঠে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জরুরি উদ্ধারকারী বাহিনী তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
এনডিটিভি আরও জানায়, দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পর বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী।
আন্তোনভ এএন-৩২ বিমানটি ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধান ভরসা বা ওয়ার্কহর্স হিসাবে পরিচিত। এটি মূলত ভারতের বিশেষ প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে সোভিয়েত ইউনিয়নে তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমান সময়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে এ ধরনের প্রায় ১০০টি বিমান বিদ্যমান।
এএন-৩২ বিমানটি প্রতিকূল আবহাওয়া, বিশেষ করে অত্যন্ত উঁচু বিমানঘাঁটি এবং উষ্ণ ক্রান্তীয় আবহাওয়ায় উড্ডয়ন করতে সক্ষম। এটি সর্বাধিক ৭ দশমিক ৫ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহন করতে পারে। দুর্গম এলাকায় রসদ সরবরাহের জন্য এ ধরনের বিমানগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
এর আগে গত মার্চে আসামের কার্বি আংলং জেলায় সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। এই দুর্ঘটনায় বিমানের দুজন পাইলট নিহত হয়েছিলেন।
গত ৫ মার্চ জোরহাট বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে নিয়মিত উড্ডয়নের পর সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে বিমানটির সঙ্গে কোনোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
কর্মকর্তারা জানান, বিমানটি শেষ পর্যন্ত জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন