০৬:৫২ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের একক প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে এবং অঞ্চলটিতে নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা জোরদার করার জন্য চীন বড় ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি মাসের (নভেম্বর) মাঝামাঝি সময়ে চীনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত ঝাই জুন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে—ইরান, সউদী আরব এবং ওমানে এক কূটনৈতিক সফরে যাচ্ছেন।
বেইজিংয়ের সূত্র অনুযায়ী, বিশেষ দূত ঝাই জুনের এই সফর মধ্যপ্রাচ্যে চীনা কূটনৈতিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বর্তমান আমেরিকা-ইসরায়েল ও ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় ওমান কিছুটা কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারণ, দেশটির প্রধান বন্দরগুলোর একটি বড় অংশ 'হরমুজ প্রণালী'র বাইরে অবস্থিত। জ্বালানি আমদানির জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর চরমভাবে নির্ভরশীল চীনের জন্য ওমানের এই কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: ইরান: যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতি বিপর্যস্ত করতে চায়
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চীন দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ওমানের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা সেই উদ্দেশ্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। চীনের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার পাশাপাশি নিজেদের অন্যতম প্রধান পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং দীর্ঘমেয়াদে এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের একচ্ছত্র প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন