ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৫ মামলা, আসামি ১০ হাজারেরও বেশি


মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৫ মামলা, আসামি ১০ হাজারেরও বেশি

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। মামলাগুলোর মধ্যে ডিএমপির পল্লবী থানায় তিনটি এবং মিরপুর মডেল থানা ও কাফরুল থানায় একটি করে মামলা রয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার ‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেওয়ার’ হুমকি, ভাইরাল ভিডিওতে আলোচনা

তিনি আরও বলেন, সোমবারও কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলার বাদী পুলিশ।

ওসি জানান, তিন মামলার প্রতিটিতে অজ্ঞাতনামা হিসেবে দুই থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় তিন হাজার এবং পল্লবী থানার তিন মামলায় মোট সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। চার মামলায় মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার।

আরও পড়ুন: এমপি আজিজের ছেলের সারের ডিলারশিপ বাতিলের দাবি উঠেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে বাংলাদেশের জার্সি উপহার দিলেন প্রবাসী শাহনুর রুমেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে বাংলাদেশের জার্সি উপহার দিলেন প্রবাসী শাহনুর রুমেন

ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রথমবারের মতো ডাক পাওয়া আন্দ্রে লুইজকে গতকাল বাংলাদেশের জার্সি উপহার দেওয়া হয়েছে। করিন্থিয়ান্সের এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জার্সিটি গ্রহণ করেছেন।

আজ আবার আর্জেন্টাইন ফুটবলার ফ্লাকো লোপেজের হাতে বাংলাদেশের জার্সি তুলে দেওয়া হয়েছে। ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাসের এই স্ট্রাইকার সর্বশেষ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন।

শাহনুর রুমেন বর্তমানে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে বসবাস করছেন। ছবি: ফেসবুক

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে বাংলাদেশের জার্সি শোভা পাচ্ছে, যা তাদের লাল-সবুজের দেশ সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে সহায়তা করছে। এর পেছনে রয়েছেন এক প্রবাসী বাংলাদেশি, যার নাম শাহনুর রুমেন।

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা শাহনুর রুমেন ভাগ্যের সন্ধানে এক যুগেরও বেশি সময় আগে ব্রাজিলে চলে যান। সেখানে কাজের পাশাপাশি তিনি আলোকচিত্র সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি ব্রাজিল সাংবাদিক সমিতির সদস্য এবং ফ্রিল্যান্স ফটো সাংবাদিক হিসেবে দেশটির বড় বড় ফুটবল ক্লাব ও ফুটবলারদের নিয়ে কাজ করছেন।

গত এপ্রিলে ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা নেইমারের হাতে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি তুলে দিয়ে আলোচনায় আসেন শাহনুর রুমেন। এরপর মে মাসে তিনি একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী হন।

নেইমারকেও বাংলাদেশের জার্সি উপহার দিয়েছেন শাহনুর রুমেন। ছবি: ফেসবুক

গত ১৮ মে ফিফা বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এই দল ঘোষণার সময় বিশ্বের প্রায় ৭০০ পেশাদার সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) নিবন্ধিত ফটো সাংবাদিক হিসেবে সেখানে শাহনুর রুমেনও উপস্থিত ছিলেন।

শুধু ব্যক্তিগত পরিচিতি নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের আঙিনায় বাংলাদেশের নাম আরও উজ্জ্বল করতেই শাহনুর রুমেনের এই উদ্যোগ। তার প্রচেষ্টা আবারও প্রমাণ করেছে যে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ফুটবল কিভাবে গোটা পৃথিবীকে এক সুতোয় গেঁথে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির একমাত্র ভোট পেয়ে বিস্মিত মাজা, সম্মানিত মনে করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


মেসির একমাত্র ভোট পেয়ে বিস্মিত মাজা, সম্মানিত মনে করছেন

কোপা ট্রফির ভোটের ফল প্রকাশের পর বায়ার লেভারকুসেনের তরুণ মিডফিল্ডার ইব্রাহিম মাজা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলারের স্বীকৃতির জন্য তাকে ভোট দিয়েছেন একমাত্র লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকার কাছ থেকে এমন একটি স্বীকৃতি পেয়ে মাজা রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন।

কোপা ট্রফির ভোট প্রদান করেন সাবেক ব্যালন ডি’অর জয়ীরা। এবারের ভোটে অধিকাংশ সাবেক তারকার পছন্দের তালিকায় ছিলেন লামিন ইয়ামাল ও পাউ কুবারসি। মেসিও তাদের ভোট দিয়েছেন। তবে এই দুজনের পর তৃতীয় পছন্দ হিসেবে মাজার নাম রেখেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসি। ফলে পুরো ভোটের তালিকায় মাজার একমাত্র ভোটদাতা মেসি।

জার্মান সংবাদমাধ্যম কিকারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসির কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতির অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন আলজেরিয়ান এই ফুটবলার। তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে বিষয়টি নিয়ে না ভেবে ম্যাচে মনোযোগ ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। তবে ফল প্রকাশের পর ফোনে একের পর এক বার্তা আসতে শুরু করে।

মাজা বলেন, ‘আমি প্রথমে ম্যাচের দিকে মনোযোগ দিতে চেয়েছিলাম এবং বিষয়টি মন থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছিলাম। এরপর অনেক বার্তা আসতে শুরু করে। ম্যাচ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম, খবরটি সত্যি নাকি মিথ্যা জানার জন্য। মেসির কাছ থেকে এমন কিছু আশা করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেকে বিচলিত হতে না দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু কিছু বার্তা আসতে শুরু করে। এই স্বীকৃতি পাওয়া এবং মেসির মতো একজন খেলোয়াড়ের দ্বারা নির্বাচিত হওয়া আমার জন্য বিরাট সম্মানের।’

বিশ্বকাপে মেসি ও মাজা মুখোমুখি হয়েছিলেন। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আলজেরিয়ার হয়ে ৮২ মিনিট খেলেন মাজা। অন্যদিকে ৮০তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। ম্যাচটিতে আলজেরিয়া ৩-০ গোলে হেরে যায়। পরে জর্ডানকে হারিয়ে এবং অস্ট্রিয়ার সঙ্গে ড্র করে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয় দলটি। তবে নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের।

বিশ্বকাপে চার ম্যাচেই আলজেরিয়ার শুরুর একাদশে ছিলেন মাজা। গোল কিংবা অ্যাসিস্ট করতে না পারলেও ক্লাব ফুটবলে দারুণ ছন্দে রয়েছেন ২০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। লেভারকুসেনে নতুন কোচ কার্লেস মার্তিনেজের অধীনে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে করেছেন তিন গোল, সঙ্গে রয়েছে তিনটি অ্যাসিস্ট।

২০২৫ সালের গ্রীষ্মে বুন্দেসলিগার ক্লাব লেভারকুসেনের সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তি করেন মাজা। ক্লাবের হয়ে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এবার ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা মেসির স্বীকৃতিও যোগ হলো তার অর্জনের তালিকায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে সচেতনতা বাড়াতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে সচেতনতা বাড়াতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহ্বান

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রক্তের অভাবে মানুষের মৃত্যু রোধে পর্যাপ্ত রক্তের মজুত নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মরণোত্তর চক্ষুদান কার্যক্রমকে জোরদার করার পাশাপাশি কর্নিয়া সংগ্রহে দেশকে স্বাবলম্বী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, রক্তদান কর্মসূচির গতি বাড়ানোর জন্য শুধুমাত্র সেমিনার আয়োজন যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। চিকিৎসকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানুষকে বোঝাতে হবে যে, রক্তদান করলে দাতার শারীরিক ক্ষতি হয় না। বরং এক ব্যাগ রক্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে সক্ষম।

মন্ত্রী ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও রক্তদানকে মহৎ কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "একজন মানুষের জীবন বাঁচানো অনেক বড় দান।" রক্তদানের মাধ্যমে অন্যের জীবন রক্ষা করা পরকালের জন্যও সওয়াবের কাজ। তাই এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হবে।

থ্যালাসেমিয়া নিয়ে তিনি বলেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়, যা রোগী ও পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তির কারণ। বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া বাহক কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এ রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি রক্তের চাহিদা ও সংকট কমাতেও ভূমিকা রাখবে।

এ সময় রক্তের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রচার-প্রচারণা ও কর্মসূচি গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সন্ধানীর কার্যক্রম এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, রক্ত সংগ্রহের জন্য যেসব প্রকল্প ও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করা হবে।

তিনি দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত সন্ধানীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, সন্ধানী মূলত মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের সংগঠন। রক্ত ও কর্নিয়া সংগ্রহের জাতীয় কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিক সক্ষমতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রক্ত সংগ্রহের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও কর্নিয়া সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় কর্নিয়া সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে রক্ত কিংবা কর্নিয়ার জন্য যেন অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভর করতে না হয়, সে লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বিএমইউ ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ২ নভেম্বরকে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস হিসেবে ঘোষণার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা।

তিনি বলেন, রক্তদানের বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও আগ্রহ বাড়লেও মরণোত্তর চক্ষুদানের ক্ষেত্রে এখনও কাঙ্ক্ষিত সচেতনতা তৈরি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক নানা ভুল ধারণা ও কুসংস্কারের কারণে অনেকে মরণোত্তর চক্ষুদানে আগ্রহী হন না। এ বিষয়ে গ্রামগঞ্জের মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম শাকিল, সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক কাশেম, মহাসচিব ও উদযাপন উপকমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। পরে র‌্যালিটি বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিচতলার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্ট মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বাতিলের প্রজ্ঞাপন স্থগিত করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


হাইকোর্ট মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বাতিলের প্রজ্ঞাপন স্থগিত করেছে

হাইকোর্ট দেশের ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বাতিল করে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে আদালত ওই প্রজ্ঞাপনটি কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন।

সোমবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন। পরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ভোলা জেলার চরফ্যাশন কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার সভাপতির দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশটি প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রিটটি উল্লেখিত হাইকোর্ট বেঞ্চে কার্যতালিকায় ৩৬ নম্বর আইটেম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। গত ১৯শে অক্টোবর ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের সব ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি একযোগে বাতিল করা হয়।

অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন যে, মাদ্রাসাগুলোর গভর্নিং বডি গঠন ও বাতিলের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া ও বিধিবিধান রয়েছে। তিনি বলেন, "কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা গভর্নিং বডি আইনের ব্যত্যয় ঘটালে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ), নোটিশ প্রদান ও যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষের রয়েছে।" তবে, বর্তমানে দেশে কোনো জরুরি অবস্থা বিদ্যমান না থাকা সত্ত্বেও, কোনো প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ বা তদন্ত না করে হঠাৎ এক চিঠিতে সারা দেশের গভর্নিং বডিগুলো ঢালাওভাবে বাতিল করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ আইনপরিপন্থী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও জরুরি পরিস্থিতির কারণে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড তৎকালীন কমিটিগুলো বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে বর্তমান স্বাভাবিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে নেয়া এই সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিদ্বেষমূলক।

শুনানি শেষে আদালত ১৯শে অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা স্থগিত করেন এবং তা চূড়ান্তভাবে কেন অকার্যকর ও বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন।

গত ১৯শে অক্টোবর সারা দেশের ফাজিল-কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডির কমিটি বাতিল করে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় (ইআবি) কর্তৃপক্ষ। ইআবির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৪৩তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইআবির অধীনে পরিচালিত ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলোর গভর্নিং বডি কমিটি বাতিল করা হলো।

আদেশে আরো বলা হয়, অ্যাডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সংবিধি-২০২৩ (খ) এর ধারা (১) খ (১), (৩) মোতাবেক সভাপতি হিসেবে জেলা সদরে অবস্থিত মাদরাসায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও জেলা সদরের বাইরে অবস্থিত মাদরাসার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে মনোনয়ন প্রদান করা হলো।

মাদরাসাগুলোর দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনের প্রস্তাব প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%