প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিজেপির মনোনীত তিন প্রার্থী পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার উপ-নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার উপ-নির্বাচনের জন্য সোমবার বিধানসভায় গিয়ে সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় তিন প্রার্থীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সংসদীয় মন্ত্রী শঙ্খর ঘোষ এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ছিলেন।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিপর্যয়ের পর এভাবেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংসদ পদ ও দল ত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার তিন আসনে উপ-নির্বাচন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
গবেষণায় দেখা যায়, গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতাসীন দল বিজেপিতে যোগদান করে সাবেক এই তিন তৃণমূল সাংসদ। তাদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন শমীক ভট্টাচার্য। গেরুয়া দলটিতে যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনজনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি।
আগামী ২৪ জুলাই তিন আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সকালে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজ্য বিধানসভা ভবনে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিকেল ৫টা থেকে গণনা শুরু হবে।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সুস্মিতা দেব বলেন, আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে আমাদের নিয়ে যে বৈঠক হয়েছে, সেটা একদম ঘরোয়া বৈঠক। সম্প্রতি আমরা বিজেপিতে যোগদান করেছি। এরপরেই প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানো। আমরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থেই কাজ করব।
তবে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যসভার টিকিট পাওয়া নিয়ে দলের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। রাজ্যসভার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ব্যক্তি পরিচয় কী বড় হয়ে ওঠে? এ প্রশ্নের জবাবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ব্যক্তিত্ব পরিচয় বড় নয়। কারণ তাদের তিনজনের রাজ্যসভার মেয়াদ এখনও বাকি ছিল। তারা পূর্বের দল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। সেক্ষেত্রে দলেরও একটি দায়িত্ব থাকে।
অন্যদিকে, মমতাপন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুনাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, মমতা ব্যানার্জি এখন ক্ষমতায় না থাকায় অনেকের শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, বুকে ব্যথা উঠছে এবং অনেকে দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় থাকলে এরাই চারপাশে থাকতো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন