প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাতে খাওয়ার কিছু অভ্যাসের কারণে অনেকের বুকজ্বালা, টক ঢেকুর, পেট ফাঁপা কিংবা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। বিশেষত রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লে এই সমস্যাগুলি আরও বাড়তে পারে। তবে সকলের জন্য একই খাবার একই সমস্যা সৃষ্টি করে না।
১. অতিরিক্ত ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার
ঝাল তরকারি, তেলে ভাজা খাবার, পরোটা এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস কিছু মানুষের বুকজ্বালা ও অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গকে বাড়াতে পারে। রাতে এসব খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
২. চকলেট
চকোলেট কিছু মানুষের খাদ্যনালির নিচের পেশির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এসে বুকজ্বালা বা টক ঢেকুরের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
৩. কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
কফি, শক্ত চা এবং কিছু ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় সংবেদনশীল ব্যক্তিদের বুকজ্বালা বাড়াতে পারে। রাতে এগুলি পান করলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
রাতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমানোর জন্য যা করবেন:
১. ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।
২. একবারে অনেক খাবার না খেয়ে পরিমিত খাবার খান।
৩. খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না।
৪. কোন খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে, তা খেয়াল করুন এবং সেই খাবার কমিয়ে দিন।
সাধারণভাবে যাকে আমরা ‘গ্যাস্ট্রিক’ বলি, তা কখনো অ্যাসিড রিফ্লাক্স, কখনো বদহজম বা অন্য পেটের সমস্যাকে বোঝায়। সব খাবার সবার সমস্যা বাড়ায় না। বারবার বুকজ্বালা, তীব্র পেটব্যথা, গিলতে অসুবিধা, রক্তবমি বা কালো পায়খানা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন