প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, লীগ প্রশ্নে বর্তমান পরিস্থিতি হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকুরিটি। তিনি উল্লেখ করেছেন, লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এ প্রজন্মের যারা লড়াই করেছেন, তাদেরকেই আসল বিপদ।
সোমবার (১ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি পোস্টে এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকুরিটি। তিনি উল্লেখ করেন, কৌন বনেগা লীগকা বাপ? ‘৮৬ আর ‘৯৬ এর স্মৃতি বিএনপি ভুলতে পারছে না আর জামায়াত রয়েছে আদর্শিক শত্রুতা ও সহিংসতার ভয়ের কারণে, যা বিএনপি-লীগের ‘৯০ দশকের যৌথ আক্রমণের স্মৃতি থেকে উৎসারিত। এই স্মৃতি ভয়ের উৎস বটে!
তিনি আরও লেখেন, আগামীতে বিএনপি (আল্লাহ না করুক) ক্ষমতায় এসে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র’ চালু করবে আর জামায়াত চুপচাপ গুপ্ত হয়ে যাবে। আসল বিপদ এ প্রজন্মের যারা লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তারা। সে বিপদ জামায়াতের জোটে যাওয়ার ফলে আরো ত্বরান্বিত হয়েছে। নগদের মধ্যে যা লাভ হয়েছিল, সেটাকেও বড় করার কোন চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না।
মাহফুজ আলম তার বক্তব্যে লেখেন, দুঃখজনক হলো, এ প্রজন্ম নিজেদের মধ্যে হাতের তালুর চেয়েও ছোট রুটি ভাগাভাগিতে ব্যস্ত। তিনি আরও বলেন, রুটিটা বড় করুন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে নেতৃত্ব দেয়ার। সেজন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিন। যার যার পার্টি, দোকান, ফেরকা, তরিকা থেকে সংগঠিত হোন। প্রতিষ্ঠান গড়ুন। সমাজে শুধু নয়, রাজনীতিতেও প্রভাব তৈরি করুন। দীর্ঘমেয়াদি লড়াই ও সংহতির ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করুন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক এই নেতা আরও লেখেন, বড়দের আস্কারা-উস্কানিতে অনেক শক্তি ক্ষয় হয়েছে। বড়রা হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে এ প্রজন্মকে। উল্লেখ করেন যে, ছোটদের কোরাম ও মতাদর্শ ভিত্তিক একপাক্ষিক বয়ান সক্রিয় ছিল এবং আছে। এভাবেই তরুণদের খেয়ে ফেলা হয়েছে। এটি ‘৭০ এর দশকে, ‘৯০ এর দশকে ঘটে গেছে।
তিনি বলেন, লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবেনা। এটি স্পষ্ট একটি কথা। তাই কৌশল নির্ধারণ করার সময় এই বিষয়টি খেয়াল রাখুন। যার যার ইমাম, খতিব, ফেরকা, তরিকা প্রতিষ্ঠা করুন, সমস্যা নেই। নিজেদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ আর বিদ্বেষচর্চা বন্ধ করুন। মতাদর্শের তর্ক তো হবেই, থাকুক। কিন্তু, আমাদের অবশ্যই কেবলা রাখতে হবে জুলাই এবং এন্টি-ফ্যাসিজমের দিকে।
সবশেষ তিনি লেখেন, পুনশ্চঃ আমরা নিশ্চিত মৃত্যু জেনে ফ্যাসিস্ট লীগকে তাড়াচ্ছি। সেই সাহসের সাথে সাংগঠনিক শক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করুন। ফ্যাসিবাদ কোন ফর্মেই ফিরে আসতে পারবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন