প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পর কানাডার লেক অন্টারিওর নাম গুগল ম্যাপসে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের জন্য ‘লেক আমেরিকা’ হিসেবে পরিবর্তন করা হয়েছে। এই তথ্য শনিবার গুগলের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়।
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য বিরোধের প্রেক্ষাপটে, গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প পাঁচটি গ্রেট লেকসের অন্যতম লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। দুই দেশ ইতিমধ্যে একে অপরের শত শত কোটি ডলারের পণ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করেছে।
ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মানচিত্রের নাম নির্ধারণকারী সংস্থা ইউএস জিওগ্রাফিক নেমস ইনফরমেশন সিস্টেমের ওপর কার্যকর হবে। তবে কানাডার নামকরণ নীতি বা বিশ্বের অন্যান্য দেশে হ্রদটির নাম কী থাকবে, তাতে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।
গুগল জানিয়েছে, সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে সাধারণত গুগল ম্যাপসের নাম হালনাগাদ করা হয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীরা এখন লেক অন্টারিওকে ‘লেক আমেরিকা’ নামে দেখতে পাবেন। অন্যদিকে, কানাডার ব্যবহারকারীদের কাছে আগের নাম ‘লেক অন্টারিও’ই থাকবে। আর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাইরে ব্যবহারকারীরা দুই নামই দেখতে সক্ষম হবেন।
এর আগে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই ট্রাম্প মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তনের নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে গুগল ম্যাপস সেটির নাম ‘গালফ অব আমেরিকা’ হিসেবে পরিবর্তন করে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্ক লেক অন্টারিওকে নতুন নামে ডাকবে না। ভারমন্টের গভর্নর ফিল স্কট এই সিদ্ধান্তটিকে ‘তুচ্ছ ও হতাশাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
শনিবার, লেকটির তীরে নতুন একটি সাইনবোর্ড উন্মোচন করেন অন্টারিওর প্রধানমন্ত্রী ডগ ফোর্ড। সেখানে ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় লেখা হয়েছে, ‘লেক অন্টারিও, এখনও এবং সর্বদা।’
ফোর্ড বলেন, ট্রাম্প এটিকে যা খুশি নামে ডাকতে পারেন। তবে বাকি বিশ্ব এটিকে সবসময় লেক অন্টারিও নামেই ডাকবে।
সূত্র:
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন