প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের মঞ্চনাটকের কিংবদন্তি অভিনেতা মামুনুর রশীদ দীর্ঘ ছয় দশকের যাত্রায় এবার নতুন একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন। এবার তিনি নেপালি ভাষার নাটক নির্দেশনা প্রদান করলেন। অভিনয়, নাটক লেখা, নির্দেশনা দেওয়া এবং থিয়েটার সংগঠক হিসেবে তার এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন। নেপালের নাট্যমঞ্চে নাটক নির্দেশনা দিয়ে তিনি একটি নজির স্থাপন করলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নেপালের কাঠমান্ডুর সর্বনাম থিয়েটারে ‘আয়ো গোর্খালি’ নাটকটির নির্দেশনা দেন মামুনুর রশীদ। এর মাধ্যমে নেপালি নাটকে নির্দেশক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে।
‘আয়ো গোর্খালি’ নাটকটি রচনা করেছেন মক চিউ ইয়ু। মামুনুর রশীদের সঙ্গে এই লেখকের পরিচয় প্রায় চার দশকের। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একই ভেন্যুতে (সর্বনাম থিয়েটার মিলনায়তন) নাটকটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এতে অভিনয় করছেন নেপাল, আয়ারল্যান্ড ও হংকংয়ের শিল্পীরা।
দেড় দশক ধরে গোর্খাদের জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে নাটক লেখার পরিকল্পনা করছিলেন নাট্যকার মক চিউ ইয়ু। এ বিষয়ে নাট্যকার মামুনুর রশীদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। চলতি বছর নাটকটির রচনা সম্পন্ন হয়। এরপর মামুনুর রশীদকে নির্দেশনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মামুনুর রশীদ নেপালি ভাষায় দক্ষ নন। তাই কাজটি তার জন্য চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি ছিল উপভোগ্য। নতুন নতুন বিষয় শিখতে পারছেন তিনি। প্রথম প্রদর্শনীতে দর্শকদের থেকে দারুণ সাড়া পেয়েছেন বলেও জানান এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো— প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও আনুগত্যের পরেও গোর্খা যোদ্ধারা কীভাবে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় এবং ব্রিটিশ সেনাদের তুলনায় বৈষম্যের শিকার হয়। এই বাস্তবতা নাটকের গল্পে উঠে এসেছে— বীরত্ব, আত্মত্যাগ এবং বিশ্বজুড়ে পরিচিত নেপালের গোর্খা সেনাদের জীবন-সংগ্রাম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন