দিরাই পূর্বাঞ্চল নিউজ | হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি
০৪:৩৭ পি.এম
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট কদুর বাগানে কদুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাড়ির আঙিনা, জমির পাশে ও ছোট ছোট বাগানে কদু চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
কদু একটি জনপ্রিয় সবজি। অল্প জায়গায় কদু চাষ করা যায় বলে অনেকেই বাড়ির আশপাশের জমি ব্যবহার করে এ সবজি উৎপাদন করছেন। সঠিক পরিচর্যা ও সময়মতো যত্নের ফলে গাছে প্রচুর কদু ধরেছে।
দিরাই পূর্বাঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে ছোট ছোট কদুর বাগান এখন কৃষির এক পরিচিত চিত্র। উৎপাদিত কদু পরিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয়ের সুযোগও তৈরি করছে।
ধান চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন গ্রামীণ পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দিরাই পূর্বাঞ্চলের ছোট ছোট কদুর বাগানে বাম্পার ফলন স্থানীয় কৃষির সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুমারপতি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা মূল্যের ৯২ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকায় তিনজনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় মামলা করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধীন কর্ণঝোড়া ক্যাম্পের সদস্যরা চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মদগুলো উদ্ধার করেন।
বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জব্দ করা মদ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।ু
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে
তারা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্মান ও জিম্মাদারির নূরানী পাগড়ি, হাতে অর্জনের সনদ ও স্মারক—এক আবেগঘন মুহূর্তে অশ্রুসিক্ত মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী!
স্বপ্নপূরণের মাহেন্দ্রক্ষণ: উত্তরার আকাশে তখন এক আধ্যাত্মিক আবহ
হৃদয়স্পর্শী এক অনাবিল অনুভূতি আর মহান রবের অশেষ মেহেরবানিতে সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো আজ। রাজধানীর উত্তরার মনোরম 'ড্রিম জেনারেশন হলে' অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দ্বীনি শিক্ষার উচ্চতর কেন্দ্র মারকাযুল উলুম আল ইসলামিয়্যা-এর ঐতিহাসিক ইফতা সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান।
ঈমানী আলোয় উদ্ভাসিত সেই মঞ্চে এক আবেগঘন মুহূর্তে মুফতি, সনদ, পাগড়ি ও সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন জনপ্রিয় দ্বীনি দাওয়াতী মুখ, ' বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী।
অশ্রুসিক্ত চোখে রবের দরবারে শুকরিয়া
ইফতার শিক্ষা জীবন শেষ করে কাঙ্ক্ষিত সেই সম্মাননা স্মারক, সম্মানসূচক পাগড়ি ও সনদ যখন তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন পুরো মিলনায়তনে নেমে আসে এক আধ্যাত্মিক নীরবতা। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, কন্টকাকীর্ণ পথচলা, রাত জেগে কিতাব অধ্যয়ন আর উস্তাদদের অক্লান্ত মেহনতের ফসল হিসেবে আজকের এই স্বীকৃতি।
পাগড়ি পরিধানের সেই মুহূর্তটিতে আবেগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। মনে হচ্ছিল, এ যেন কেবল একটি সনদ বা পাগড়ি নয়—দ্বীনের বহুমুখী খিদমত এবং সমাজের দ্বীনি আমানত কাঁধে তুলে নেওয়ার এক মহান ঐশী পরওয়ানা!
"যে হাত কলম দিয়ে সত্যের সংবাদ তুলে ধরে, সেই হাত আজ উম্মাহর পথপ্রদর্শনের ইলমী সনদ গ্রহণ করল।"
কলম ও বয়ানে দ্বীনের পাহারাদার
মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী দীর্ঘদিন ধরে তালাশ বিডি-র মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় অবদান রেখে আসছেন। একই সাথে যুক্তিবাদী ও প্রজ্ঞাপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে তিনি সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আজ ইফতা ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তাঁর জ্ঞানের পরিধি ও মেধা উম্মাহর সেবায় আরও এক নতুন মাত্রায় উন্মোচিত হলো।
অনুষ্ঠান শেষে নবীন এই মুফতি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন, যেন জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সত্যের পক্ষে এবং দ্বীনের খেদমতে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে পারেন।
আল্লাহ তাআলা মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদীর এই অর্জনকে কবুল করুন, তাঁর ইলমে ও আমলে বারাকাহ দান করুন এবং দ্বীনের প্রচার ও প্রসারে তাঁকে কবুল করে নিন। আমীন!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার সন্ধ্যা নদীর চিরাপাড়া মোহনা ও লঞ্চঘাট এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত জালের মধ্যে সাড়ে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল এবং এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল রয়েছে। উদ্ধার করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,
"মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। বর্তমান প্রজনন মৌসুমে একটি মা ইলিশও যদি ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়, তবে তা ভবিষ্যতে আমাদের ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন মৎস্যজীবী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে ইলিশ শিকারে মেতে ওঠে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছি। আজকের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এই নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়ে কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ