প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় দামিয়েত্তা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি গ্যাস ট্যাংকারে রহস্যময় ড্রোন হামলার ঘটনার পরে, ইরান এটি ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র বা ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ অপারেশন হিসেবে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রদত্ত এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, মূলত মুসলিম ঐক্য এবং আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেছেন, ‘মিসর অত্র অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও অংশীদার। আমাদের কাছে তাদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
এই হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ নতুন ফ্রন্টে ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে মারাত্মক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে এক ফোন আলাপে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিও সতর্কবার্তা দিয়েছেন। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে তিনি মিসর, স্পেন, ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকলকে জরুরি ভিত্তিতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এদিকে, হামলার ফলে একটি গ্যাস সংরক্ষণকারী জাহাজের ক্ষতি হওয়ার পর কায়রো দ্রুত বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। মিসরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মাদবৌলি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী করিম বাদাউই উন্নত পরিকল্পনার সাথে বলেন, মিসরের নিজের চারটি ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ও রূপান্তর ইউনিট (এফএসআরইউ) আছে এবং জর্ডানের আকাবা বন্দরে দুই দেশের যৌথ মালিকানাধীন একটি জাহাজ প্রস্তুত করা আছে।
বিদ্যুৎমন্ত্রী মাহমুদ এসমত জানিয়েছেন যে, গত ১৫ দিন ধরে মিসরের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে (৩৭ থেকে ৩৯ গিগাওয়াট) পৌঁছেছে। তবে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে ৪ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এছাড়া সরকারের কাছে কৌশলগত মজুতসহ বিকল্প জ্বালানির বিশাল ভান্ডার বর্তমানে বিদ্যমান।
এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠীই এই নজিরবিহীন হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কর্তৃপক্ষ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন