প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাতের সম্পদের হিসাব তলব করেছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নোটিশ পাওয়ার ২১ কর্মদিবসের মধ্যে আবুল বারকাতকে নির্ধারিত ছকে নিজের, তার স্ত্রীর এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে থাকা সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস এবং সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করতে হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুদক সূত্রে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারার আওতায় আবুল বারকাতের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করা হয় অথবা মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিয়ে বিবরণী জমা দেওয়া হয়, তাহলে একই আইনের ২৬(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণসংক্রান্ত একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ২০২৫ সালের ১১ জুলাই তাকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার করা হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এছাড়া এননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায়ও তিনি চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের অক্টোবরে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।
দুদকের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে অনিয়মের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বিপুল অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব মামলার তদন্ত ও সম্পদ অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় আবুল বারকাতের সম্পদ বিবরণী তলব করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন