মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৭ পি.এম
সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংঘটিত মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থী শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন হাসন নগর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সেজুল মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রধান সড়কে একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং এতে শ্রাবণসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা উচিত।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, কে প্রথম হামলা করেছিল এবং শ্রাবণ কী পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে জড়িয়েছিল—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাদের দাবি, শুধু কোনো এক পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়, ঘটনার পুরো ধারাবাহিকতা যাচাই করেই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা উচিত।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, শ্রাবণ একজন শিক্ষার্থী। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই তাকে সামাজিকভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্কের ছবি ও পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও অধিকার যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়। এছাড়া শ্রাবণের বাবা জুবাব আলীকে মামলায় আসামি করার বিষয়েও আপত্তি জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, জুবাব আলী নতুন হাসননগর এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এ ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্যও তদন্ত প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, একপাক্ষিক বয়ান নয়, পুরো ঘটনা সামনে আসুক। অভিযোগ নয়—তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসুক।
সংবাদ সম্মেলনে তহুর আলী,আন্জব আলী, তহির মিয়া, তফিক মিয়া, ময়না মিয়া, মাহমুদ আলী, রেজুয়ান, ফরিদ মিয়া, সাঈদুল ইসলাম, আকিনুর, আমিন, ফরিদ আলী, জামাল, ও মাহিবুরসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্য যথাযথভাবে তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ আরিফ উল্ল্যাহ জানান,পুলিশ কখনো পক্ষপাতিত্ব তদন্ত করেনা। মামলা যেহেতু হয়েছে প্রকৃত সত্যি উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পানিপাড়া বিলে জমজমাট নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিলে বসে হরেক রকম পণ্যের বিশাল মেলা। নৌকা বাইচ ও মেলাকে ঘিরে পানিপাড়া বিল ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যুব সমাজের উদ্যোগে এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতা দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ পানিপাড়া বিলে জড়ো হন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও খাবারের দোকান বসে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম নাসির।
মেলা আয়োজন কমিটির সহ-সভাপতি মো. নিয়ামত হোসেন পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার মোহাম্মদ আবদুর রউফকে সেতু বিভাগের সচিব পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুসারে মোহাম্মদ আবদুর রউফকে সেতু বিভাগের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে, তার অবসর-উত্তর ছুটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত থাকবে এবং তিনি অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ পাবেন।
নিয়োগের মেয়াদ হবে এক বছর, যা যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এক বাংলাদেশি যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৫-এ তল্লাশি চালানোর সময় তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আটক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩১৯ দশমিক ৩ গ্রাম মেথঅ্যামফিটামিন এবং ৬ হাজার ২১১টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক জব্দের পর আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কুয়েত সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে। দেশের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এর আগে, মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে, বাংলাদেশ থেকে আসা বিমানে এত বড় মাদকের চালান কীভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও স্ক্যানিং ব্যবস্থা অতিক্রম করে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সুমন চৌধুরী মন্তব্য করেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও তল্লাশি প্রক্রিয়া পেরিয়ে এত বড় চালান দেশের বাইরে যাওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা চক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।"
ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আরও তদন্ত বা বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ