প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার প্রায় একযুগ অতিবাহিত হলেও নবম পে স্কেল নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। বর্তমানে নতুন বেতন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে।
আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে জুন মাসের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে, এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
লম্বা সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা বাড়ছে নবম পে স্কেল নিয়ে; কিন্তু তাদের মধ্যে উৎকণ্ঠাও রয়েছে। এখন সকলের নজর সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।
দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়ে আসছেন। গণমাধ্যমে একাধিক বার খবর বেরিয়েছে, যেখানে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সরকার যে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করছে, সেই অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়িত না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। তবে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে আসছেন।
তাদের বক্তব্য, দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু হলে তা আংশিকভাবে নয়, বরং সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন হওয়া উচিত। বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি বিবেচনায় ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।
বিভিন্ন সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে বেশিরভাগই মনে করেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে কর্মচারীদের জীবনমানের উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু, বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা ও অস্পষ্টতার কারণে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন