প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাভারের বিভিন্ন বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে। সরবরাহ কমে যাওয়া ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কেজিপ্রতি সবজিতে ক্রেতাদের তিন থেকে ১০ টাকা বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে টমেটোর দাম। একদিনের ব্যবধানে টমেটো কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ২৫০ টাকায় পৌঁছেছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সাভারের বৃহত্তম শ্রীপুর সবজি বাজার ঘুরে এই পরিস্থিতি দেখা গেছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বাজারের বিভিন্ন অলিগলি পানিতে তলিয়ে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, জলাবদ্ধতার কারণে সবজি পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও সবজির দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
অন্যদিকে, পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বর্তমানে শ্রীপুর সবজি বাজারে কেজি, পাল্লা (৫ কেজি) ও পিস হিসেবে বিভিন্ন সবজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকা কেজি দরে। এছাড়া করলা ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, টমেটো ২৫০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ২৭ টাকা, মুখিকচু ৩০ থেকে ৩২ টাকা, লম্বা বেগুন ৪৫ টাকা, গোল বেগুন ৪০ টাকা, বরিশালের আমড়া ৩০ টাকা, আদা ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৩২ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২২ থেকে ২৮ টাকা, হাইব্রিড শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং দেশি শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাল্লা হিসেবে বিক্রি হওয়া সবজির মধ্যে ঝিঙে ১৫০ টাকা, বরবটি ১৮০ টাকা, সজনে ৪৫০ টাকা এবং পটল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচাকলা ৩০ টাকা হালি, দেশি লাউ প্রতিটি ৩০ টাকা, ধনেপাতা ২০ টাকা এবং লেবু ২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিন সবজির দাম আরও বাড়তে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন