প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সহযোগিতায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের পদক্ষেপে মার্কিন সেনাবাহিনীতে একটি গুরুতর নেতৃত্ব সংকট সৃষ্টি হয়েছে, কারণ তিনি বেশ কয়েকজন শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করেছেন।
গত এপ্রিল মাসে, জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে মাত্র ১৫ সেকেন্ডের ফোনালাপের মাধ্যমে বরখাস্ত করা হয়। এর ফলে সেনাপ্রধানের পদটি শূন্য অবস্থায় রয়েছে। জর্জের সম্ভাব্য তিন উত্তরসূরির পাশাপাশি মোট ছয়জন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন কাউকে নিয়োগের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
বর্তমানে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধের পর সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। তারা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থেকে নিজেদের রক্ষা করছে এবং ইউক্রেনকে গোয়েন্দা সহায়তা প্রদান করছে। একইসাথে, ইরান ও রাশিয়ার অত্যাধুনিক ড্রোন ব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়াইও করছে তারা।
এদিকে, সেনাবাহিনীতে চার-তারকা জেনারেলের সংখ্যা ১০ থেকে পাঁচে নেমে এসেছে। জর্জের সহযোগী সেনাসচিব ড্যানিয়েল পি ড্রিসকল আগামী মাসগুলোতে পদত্যাগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি ড্রোন যুদ্ধের প্রস্তুতি ও ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর প্রচেষ্টায় কাজ করছেন।
অন্যদিকে, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনাকারী কমান্ডের প্রধান জেনারেল ডেভিড এম হোডন এবং সহকারী সেনাপ্রধান জেনারেল জেমস মিঙ্গাসকেও অকারণে সরানো হয়েছে। মিঙ্গাসের স্থানে নিয়োগ পান হেগসেথের সাবেক সামরিক সহকারী জেনারেল ক্রিস্টোফার লেনেভ। বর্তমানে, লেনেভ একাই সেনাপ্রধান এবং সহকারী—দুই চার-তারকা পদের দায়িত্ব পালন করছেন।
এই সংকটের মধ্যে, রিপাবলিকান সিনেটর জনি আর্নস্ট সতর্ক করে দিয়েছেন যে, প্রশিক্ষণের অভাব ও শৃঙ্খলার ঘাটতির মূল্য রক্ত দিয়ে দিতে হবে। ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি প্যাট রায়ানের মতে, যুদ্ধের সময় পরীক্ষিত নেতাদের সরিয়ে দেওয়া মানে সেনাদের নিরাপত্তাহীনতায় ফেলা এবং জয়ের সম্ভাবনা কমিয়ে দেওয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন