প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে এই বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গিয়ে সমবেত হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের 'ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা, হুশিয়ার সাবধান; ইনকিলাব জিন্দাবাদ; কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কী তোর বাপ দাদার; ইউ ওয়ান্ট জাস্টিস; হবিগঞ্জে হালমা কেন, প্রশাসন জবাব চাই; ছাত্রদলের আস্তানা, ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও' ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা বৈছাআ'র সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুবাশ্বির আমিন বলেন, "আজ জুলাইয়ে সম্মুখসারির নেতাদের উপর নেক্কার জনক হামলা করা হয়েছে। ফ্যাসিবাদী আমলে যখন বিরোধী রাজনৈতিক সংগঠনগুলো সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামতো তখন ঠিক এইভাবে হামলা করে তাদের রোধ করা হতো। বিএনপি সরকার এসে আবারও বিরোধীদের দমন করার উদ্দেশ্য এই ধরনের নেক্কারজনক হামলা অব্যহত রেখেছে রোধ করার চেষ্টা করছে।"
তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে এমন হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। পাশাপাশি হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।
যুগ্ম সদস্য সচিব বাধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, "এনসিপি পদযাত্রায় ছাত্রদল জঘন্য ভাবে হামলা করেছে। আপনারা আজ যা করছেন, একটা সময় ছিল তখন আপনাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে। আগামীতে সেটা আবারও ফিডব্যাক হিসেবে ফিরে পাবেন। আমি তারেক রহমানকে বলতে চাই—আপনি আপনার সন্ত্রাসীদের সামলান, না হলে হাসিনা যেমন পালিয়েছে আপনাকেও লন্ডনে পালাতে হবে।"
উল্লেখ্য, সোমবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদর এলাকায় এনসিপির পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় এনসিপির ব্যবহৃত কয়েকটি গাড়ি ও সংবাদকর্মীদের যানবাহনে ভাঙচুরের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের অভিযোগও ওঠে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন