প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সমাধান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, সেই প্রস্তাব ইরান এখনো না গ্রহণ করেছে এবং না প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, তেহরানে বর্তমানে প্রস্তাবটির চূড়ান্ত খসড়া নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের আলোচক দলের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, অতীতের অভিজ্ঞতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো সমঝোতা নিয়ে তেহরান খুবই সতর্ক রয়েছে। তাদের অভিযোগ, অতীতে ওয়াশিংটন একাধিকবার চুক্তির ক্ষেত্রে ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ করেছে। এই কারণে ইরান এবার কেবল বাস্তব ও নিশ্চিত লাভ না পেলে কোনো সিদ্ধান্তে যেতে চায় না।
এদিকে, কয়েক মাস ধরে সংঘাত চলমান থাকার পর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে, যাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত না হয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে এই উত্তেজনা বড় প্রভাব ফেলেছে এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সীমিত ও অন্তর্বর্তী চুক্তির দিকে ঝুঁকছে। এর মাধ্যমে একদিকে অর্থনৈতিক চাপ কিছুটা হ্রাস করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে না।
ইরানের এই কৌশল নতুন কিছু নয়। দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই বাইরের চাপের মধ্যেও নিজেদের মূল অবস্থান বজায় রেখে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকট, আর্থিক সুবিধা অর্জন এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়গুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ পরিচালনা করে। এরপর অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। যদিও এপ্রিলের শুরুতে একটি অস্থির যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি এক ধরনের স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পূর্ণাঙ্গ চুক্তির আশা কমে এসেছে এবং উভয় পক্ষই এখন একটি অস্থায়ী সমঝোতার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন