প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মহিলা মাদরাসায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ নারী শিক্ষার্থীর মধ্যে আতিয়া আক্তার রিমা (১০) নামে একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার।
নিহত আতিয়া আক্তার রিমা ফতুল্লার মুসলিমনগর এলাকার আতাউর রহমানের কন্যা। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। মৃত্যুর পর ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মর্গে রাখা হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা থানার কাশীপুর এলাকার মাহেলা মহিলা মাদরাসার ছাদে বৈদ্যুতিক তার বিচ্ছিন্ন হয়ে পাঁচ নারী শিক্ষার্থী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়। পরে মাদরাসার লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
দগ্ধ অন্য চার শিক্ষার্থীর মধ্যে জিদনি (১৪) নামে এক শিক্ষার্থীর শরীরের ৮২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সে ভোলাইল এলাকার মোহনের মেয়ে। লামিয়া (১৩) নামে আরেক শিক্ষার্থীর শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সে মুসলিমনগর এলাকার আব্দুল আলিমের কন্যা।
এ ছাড়া আছিয়া (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর শরীরের ৭ শতাংশ এবং সুমাইয়া (১৩) নামে আরেক শিক্ষার্থীর শরীরের ১৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আছিয়া ভোলাইল এলাকার আজগর আলীর মেয়ে এবং সুমাইয়া কাশীপুর দেওয়ান বাড়ি এলাকার রনির কন্যা।
মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, ২৬ সেপ্টেম্বর বৈদ্যুতিক তার বিচ্ছিন্ন হয়ে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার আতিয়া আক্তার রিমার মৃত্যু হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন