প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আগের সরকারের আমলে বেড়িবাঁধ নির্মাণে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে গোপালপুর উপজেলার নলীন বাজার সংলগ্ন শাখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে যে সরকার পরিচালনা করেছে, তারা ছিল ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা। তাদের লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের সরকারের অবসান ঘটিয়েছে। তাই, তাদের সময় সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অবশ্যই তদন্ত করা হবে। সরকার পরিকল্পিতভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে আগ্রহী হয়ে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা নিজেদের লক্ষ্যে সফল হব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সড়কের ভাঙন রোধে ইতিমধ্যে প্রায় ২৫ হাজার জিও ব্যাগ এবং বৃহৎ আকারের টিউব জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এর ফলে আপাতত নদীভাঙন কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন, ভূঞাপুর থেকে টাঙ্গাইল হয়ে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত একটি স্থায়ী প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণের সে দাবি পূরণের উদ্দেশ্যে কাজ চলছে। একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক নাব্যতা বজায় রাখা এবং খাল খনন, নদী খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের দিকে সরকার দৃষ্টিপাত করছে। নদীর নাব্যতা ও স্বাভাবিক গতিপথ সঠিক থাকলে ভাঙনের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে কমে যাবে।
টুকু আরও বলেন, নদীভাঙন রোধে স্বল্পমেয়াদি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির সাথে প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে মানুষের জানমাল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সুরক্ষার জন্য সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রীর বড় ভাই, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন, ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল মোর্শেদ, ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ. কে. এম. রেজাউল করিম, গোপালপুর থানার ওসি রুহুল আমিন এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এই ঘটনার ফলে সড়কটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন