প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কওমিপন্থি সাতটি দল জোটবদ্ধভাবে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এনসিপি এবং এবি পার্টিসহ আরও কিছু ছোট ও বড় দল এই জোটে যুক্ত হতে পারে। নতুন জোট গঠনের প্রক্রিয়া হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে চলছে।
গত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে বেশিরভাগ কওমি ধারার রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধ হয়েছিল। তবে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম এতে সন্তুষ্ট ছিল না। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত দলীয় প্রতীক ছাড়া একক প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা করেছে। কিন্তু কওমিপন্থি দলগুলোর পরিকল্পনা ভিন্ন। নেতারা কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় স্থানীয় নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াইয়ের জন্য নতুন জোট গঠনের দারপ্রান্তে রয়েছেন।
এই জোটের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম থাকতে পারে। সাতটি দল হল: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
গাজী আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব, মনে করেন যে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সাতটি দল একসঙ্গে অংশ নিতে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, "বিএনপি ও জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৭টি দল একসঙ্গে নির্বাচন করতে পারে। এখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করবে। এজন্য বিষয়টা সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে।"
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন জানান, এনসিপি, এবি পার্টিসহ আরও কয়েকটি ছোটবড় দল জোটে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, "সাত দলের বাইরেও এনসিপি ও এবি পার্টি আছে। এছাড়াও আরও কিছু দল আছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্থানীয় নির্বাচন করতে পারে। আমরা কয়েক মাস ধরে এ নিয়ে আলোচনা করছি। অনেক দলের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। জামায়াত-বিএনপির বাইরে বড় ধরনের একটা জোট হয়ে যেতে পারে।"
হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুহিবুল্লাহ রব্বানী বলেন, কওমি ধারার দলগুলোর একসঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তারা উৎসাহ দিচ্ছেন। তিনি যোগ করেন, "স্থানীয় নির্বাচনে এই ৭টি দল ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থী দিয়ে যদি ভোট করে কওমি অঙ্গনের জন্য ভালো অবস্থান দেশে তৈরি করতে পারে, তাহলে সেটা আমাদের জন্য বড় অগ্রসর হওয়ার পথ তৈরি হবে। এটা আমারা আশাও করি যে, তারা ভালো কিছু করবে।"
সূত্র জানায়, নতুন জোটের আবির্ভাবের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ৭ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন