প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইন-কানুন ও প্রতিবেশীদের প্রতি কোনো ধরনের শ্রদ্ধাবোধ নেই শেফালী বেগমের। একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিবেশীরা এখন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন!
বরিশাল নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের সরদার বাড়ির বাসিন্দা শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতিবেশীদের ওপর নানা নির্যাতন, এবং বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। তার মুখোমুখি এই একাধিক উত্পাতের কারণে পুরো এলাকাবাসী চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, শেফালী বেগম বেআইনি নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তায় কোনো জায়গা না ছেড়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাউন্ডারি ওয়াল (সীমানা প্রাচীর) নির্মাণ করছেন। এর ফলে, এলাকার সাধারণ মানুষ যাতায়াতে চরম বিঘ্ন এবং দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। প্রতিবেশীরা যখন নিয়মের বিরুদ্ধে এই দেওয়াল নির্মাণে বাধা দেন, তখন তিনি কাউকে পরোয়া না করে একের পর এক সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ থানায় জানান।
ভুক্তভোগী প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেছেন যে, শেফালী বেগম নিজের অন্যায়কে চাপা দেওয়ার জন্য আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন। তার ধারাবাহিক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে স্থানীয় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশও বিরক্ত হয়ে উঠেছে।
এছাড়া, শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে আরো একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে এসেছে। সম্প্রতি, একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে তার পরিবারের অজান্তে ফুসলিয়ে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু, পথে মেয়েটি বিপদ বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করলে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা ঘটনাটি টের পান। তারা অবিলম্বে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন এবং শেফালী বেগমকে আটক করেন।
ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবার পরবর্তীতে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে, কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ শেফালী বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নেয়।
তবে, স্থানীয় এবং থানা সূত্রে জানা যায়, শেফালী বেগমের স্বামী হচ্ছে ঢাকা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী (অ্যাডভোকেট)। স্বামীর এই আইন পেশার প্রভাবে তিনি এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে বিষয়টি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। শেষ পর্যন্ত, ভবিষ্যতের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা এবং ‘আর কখনো এমন কাজ করবেন না’ মর্মে থানায় লিখিত মুচলেকা দিয়ে পুলিশের হেফাজত থেকে রক্ষা পান শেফালী বেগম।
এলাকার বাসীরা জানান, স্বামীর আইনি প্রভাবের অপব্যবহার করে শেফালী বেগম একাধিক অন্যায় করে পার পেয়ে যাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহল থেকে এই নারী সিন্ডিকেটের অত্যাচার থেকে বাঁচতে এবং চলাচলের ওই রাস্তাটি মুক্ত করার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন