প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ (সুমেক) হাসপাতালে চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত ও পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত ও পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে লাগাতার আন্দোলনের ২১ দিন পর সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ (সুমেক) শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে সুমেক শিক্ষার্থীদের বৈঠকের পর একজন উপ-পরিচালক নিয়োগ দেওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহার করেন শিক্ষার্থীরা।
নিয়োগকৃত উপ পরিচালকের নাম হচ্ছে ডা. আহম্মদ হোসেন।
রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে ডা. আহম্মদ হোসেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এ সময় সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন এবং সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের নতুন পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাকিব ও পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত ও পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে আমরা গেল বছর আন্দোলন করেছি। তখন সরকার বলেছিল দ্রুত হাসপাতাল চালু করা হবে কিন্তু কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ কারণে আমরা গত জুন মাসের ২১ তারিখ থেকে লাগাতার আন্দোলনে নামি। আমাদের আন্দোলনে সুনামগঞ্জের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ সংহতি প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয় এবং তিনি দ্রুত হাসপাতাল চালুর আশ্বাস দেন। এরপর একজন উপ পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। উপ-পরিচালক রোববার হাসপাতালে যোগদান করেছেন এবং হাসপাতাল চালুর রোডম্যাপ নিয়ে ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছেন। তাই সরকার ঘোষিত আশ্বাসের প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হওয়ায় আমরা সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, দ্রুত হাসপাতালটি চালুর জন্য সরকার আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করেছে। আজ আমি হাসপাতালে যোগদান করেছি এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেছি। শিক্ষার্থীরা আশ্বস্ত হওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরে যেতে রাজি হয়েছে। এখন সুনামগঞ্জবাসীর স্বাস্থ্যসেবার জন্য ৫০০ শয্যার হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে কাজ করব।
প্রসঙ্গত, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল চালুসহ দাবি আদায়ের গত ২১ জুন রবিবার থেকে লাগাতার ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ, একাডেমিক সাটসাউট, মানববন্ধন, সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন।
সুনামগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোল্লা রবিউল ইসলাম বলেন, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সকল ভবনের কাজ শেষ। অক্সিজেন প্লান্টের কাজ চলমান রয়েছে। অক্সিজেন প্লান্ট ও গ্যাসের লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হবে। শুধুমাত্র অডিটেরিয়ামের কাজ চলমান রয়েছে। অডিটোরিয়াম ছাড়া অন্য সকল ভবন চাইলেই এখনই হস্তান্তর করা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন