প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নরসিংদীর মনোহরদীতে জমির সীমানায় নারিকেল গাছ কাটার বিষয়কে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতার ছেলে জীবন মিয়ার (৩০) লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরের সময়ে উপজেলার বড়চাপা বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের সন্তান। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। অপরদিকে অভিযুক্ত হত্যাকারী শহীদুল্লাহ, যিনি একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সহসভাপতির ছেলে, তাঁর সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
নিহতের আত্মীয়স্বজনরা জানান, নিহত মিজান এবং তাঁর চাচা শহীদুল্লাহর মধ্যে বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিষয়ে একাধিকবার সংঘটিত সালিশ বক্সে শহীদুল্লাহ বিষয়টি মেনে নেননি। শনিবার দুপুরে মিজান রাস্তার উপর একটি গাছ কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। সেই সময় শহীদুল্লাহর ছেলে জীবন কুড়াল দিয়ে মিজানের মাথায় আঘাত করেন। পরে তাঁকে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান জানান, দুপুরের সময় মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর জানানো হবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা ভাতিজার জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতহাল সম্পন্ন করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন