প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় গ্রিডে ত্রুটি দেখা দেওয়ার কারণে শনিবার শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। কর্মকর্তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বিদ্যুৎ উৎপাদনের তুলনায় বেশি হয়ে যাওয়ার ফলস্বরূপ এই বিপর্যয় ঘটতে পারে।
দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দেশটির গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। বিদ্যুৎ সরবরাহ কখন পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন লঙ্কা (ইডিএল) জানায়, পুরো গ্রিডে সৃষ্ট ত্রুটির মেরামতের জন্য প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে।
জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুণাথিলাকা জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করার আশা করছে।
তিনি সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজে সহায়তা করার জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনকারীদের সেগুলো বিচ্ছিন্ন রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরো জাতীয় গ্রিড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। উজ্জ্বল রৌদ্রোজ্জ্বল এক রোববার সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে ওই বিপর্যয় ঘটে। তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।
শ্রীলঙ্কায় স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ৩ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। তবে দিনের বেলায় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট।
কর-সুবিধার কারণে অনেক গ্রাহক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত হয়েছেন এবং তারা নিজেদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করছেন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা হিমশিম খাচ্ছে।
সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় এই বৃদ্ধি হবে ৩৮৮ শতাংশ।
সূত্র: চ্যানেল নিউজ এশিয়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন