প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আগামী (০৬) মাসের জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা জেলার আংশিক আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে। এনসিপির সদস্য সচিব জাতীয় সংসদের সদস্য আকতার হোসেন এবং দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক জাতীয় সংসদের সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত করে কমিটিতে অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানকে আহবায়ক এবং কামরুজ্জামান বুলুকে সদস্য সচিব করা হয়।
গত সোমবার ( ৯ আগোষ্ট) সংগঠনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই সাথে উক্ত কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূনাংগ কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু সাতক্ষীরা জেলার আহবায়ক কমিটি ঘোষণার পরের দিন (১০ আগোষ্ট) আহবায়ক আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সংগঠনের জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়। যদি তাকে কমিটি থেকে বাদ না দেওয়া হয়, তবে গণপদত্যাগের ও হুমকি দেন সংগঠনের সদস্য সচিবসহ বেশিরভাগ নেতারা।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, আহবায়ক আখতারুজ্জামান শহরের (০১) ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য। শুধু তাই নয়, তিনি সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষাদুস্য নামে পরিচিত। এ্যাড : আবদুর রহমান কলেজ থেকে দুর্নীতির দায়ে উভয়সহ তিনি এবং তার ন্ত্রীকে কলেজের গভারনিং বডির জরুরি সভায় চাকুরী থেকে বহিষ্কার করা হয়।
আরও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ্যাড: আবদুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালে জাল জালিয়াতির দায়ে সহ তিনি এবং তার ন্ত্রীকে চাকুরী থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া একই সাথে প্রতারণা করে কলেজের এফডিআর এর টাকা আত্মাসাৎ করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।
উক্ত মামলায় আখতারুজ্জামান চার্জশীটভুক্ত আসামী এবং বর্তমানে মামলাটি চলমান। ২০১৬ সালে শিক্ষাদুস্য খ্যাত শিরোনামে একাধিক মিডিয়ায় তার বিরুদ্ধে নিউজ হয়। তিনি তার নিজের ন্ত্রীর একাডেমি সার্টিফিকেট জাল করে আবদুর রহমান কলেজে চাকুরী দেন। পরে অডিটে জাল-জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষামন্ত্রণালয় তার সমুদয় বেতন ফেরতের জন্য ২০১৭ সালে কলেজকে চিঠি দেয়।
চিঠিতে চাকুরী থেকে বহিষ্কার করার সাথে সাথে পিডিআর এ্যাকটে মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিসারের সীল সই জাল করার অভিযোগ রয়েছে।
এনসিপির খুলনা বিভাগীয় সংগঠক ফরিদুল ইসলাম বলেন, যদি নৈতিক স্খলন বা আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ থাকে তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আখতারুজ্জামানের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন