প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া থেকে সরে যাচ্ছে না। বরং তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজেদের অনুকূলে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে আরও বেশি শক্তভাবে অবস্থান করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চায়, তাদের মিত্র এবং অংশীদাররা নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আরো বেশি করে নেবে।
সোমবার পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন। ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের নীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কথা আবারো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মিত্র ও অংশীদারদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আরো বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বোঝা ভাগাভাগি করে নেওয়ার ওপর জোর দেন।
কোলবির ভাষায়, সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত ‘নির্ভরশীলতা নয়, অংশীদারি’ হিসেবে। ম্যানিলায় এক বক্তৃতায় কোলবি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই এশিয়া থেকে সরে যাচ্ছে না। আমরা চলে যাচ্ছি না। বরং যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের অনুকূলে রাখতে আমরা শক্তভাবে অবস্থান নিচ্ছি।’
কোলবির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরের প্রথম গন্তব্য ফিলিপাইন। ফিলিপাইন হলো এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরনো চুক্তিভিত্তিক মিত্র। সফরে তিনি ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়াও যাবেন। কোলবি উল্লেখ করেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের অনুকূলে রাখতে প্রথম দ্বীপশৃঙ্খল এলাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। তিনি দাবি করেন, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ছে।
প্রথম দ্বীপশৃঙ্খল বলতে, জাপান থেকে শুরু করে তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও বোর্নিও পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে বোঝায়। কোলবি বলেন, এই কৌশল শুধু মার্কিন বাহিনীর ওপর নির্ভর করে বাস্তবায়ন করা যাবে না। এজন্য মিত্র দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তায় বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা যখন আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সক্রিয় হতে, নিজেদের প্রতিরক্ষায় বেশি বিনিয়োগ করতে এবং নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে বলি, তখন এর অর্থ এই নয় যে, আমরা তাদের ছেড়ে দিচ্ছি। আমরা এমন অংশীদার চাই, যারা নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে পারে।’ কোলবি আরো বলেন, ‘আমাদের অংশীদাররা শক্তিশালী হলে প্রতিরোধ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হয়।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন