১০:১১ এম
যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর নজিরবিহীনভাবে বেঁচে যাওয়া মার্কিন নারী ক্রিস্টা পাইকের (৫০) জ্ঞান ফিরে এসেছে এবং আইনজীবীদের মাধ্যমে জানা গেছে যে তিনি কথা বলছেন।
বিবিসি সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গুরুতর শারীরিক জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাইকের শারীরিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে। ১৯৯৫ সালে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের জন্য টেনেসিতে দণ্ডিত পাইককে গত সপ্তাহে পেন্টোবার্বিটাল নামক প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুটি ডোজ দেওয়া হয়েছিল। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং চিকিৎসকরা কয়েক দিন ধরে তার শরীর থেকে বিষাক্ত রাসায়নিকটি অপসারণের চেষ্টা চালান।
বিশেষজ্ঞ ও অপরাধবিজ্ঞানীদের মতে, বিষাক্ত ওষুধ শরীরে প্রবেশ করার পর কোনো আসামির জ্ঞান ফিরে পাওয়া এবং কথা বলার ঘটনা ইতিহাসে একেবারেই প্রথম এবং চিকিৎসাগতভাবে অভূতপূর্ব। ফোর্ডহ্যাম ল স্কুলের অধ্যাপক ডেবোরা ডেনো উল্লেখ করেন, পূর্বে কিছু আসামি ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচলেও তাদের শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু পাইকের ক্ষেত্রে ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন।
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
আইনজীবীরা জানান, পাইকের সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া এখনো অনিশ্চিত এবং তাকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে কাটাতে হবে। এ ছাড়া ইনজেকশনের কারণে তার দুটি বাহু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর রাজ্যের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন