প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, যারা বিগত ২০ বছর ধরে গ্রামে শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে এসেছেন, তাদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, 'গ্রামের শিক্ষক সংকট থাকবে আর সকলে শহরে এসে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শিক্ষকতা করবেন, সেটা হতে পারে না। শিক্ষায় গ্রামাঞ্চল অনগ্রসর থাকতে পারে না।'
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে হাটের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে খুলনার কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, '৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চলছে। এভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়, তাই পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগে পরীক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ করলে শুধু নম্বরপত্র যোগ করা হতো, তাই আইন পরিবর্তন করে খাতা চেক করার সুযোগ রাখা হয়েছে।'
আসন্ন পরীক্ষা প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, 'নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় দেশে নকলের প্রবণতা প্রায় নির্মূল হয়েছে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বিষয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলাকে ছাড় দেওয়া হবে না।'
দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত উন্নয়ন ও সংস্কারের বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'এ বছরের জুলাই থেকে সারা বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের পোশাক ও মিড ডে মিল দেওয়া হবে। এই সরকারের কাছে কোনো দাবি জানাতে হবে না। সরকারই দাবি পূরণ করবে। শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান বৃদ্ধি করতে হবে।'
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের উদ্যোগে সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ফারুখে আযম মো. আব্দুস সালাম। মতবিনিময়সভায় যশোর শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন খুলনা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন