প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান মন্তব্য করেছেন, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারকে ঘৃণা ও সহিংসতার উসকানি দেওয়ার পরিবর্তে টেকসই উন্নয়নের কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ক্ষেত্রে মানবাধিকার, সমতা এবং বৈষম্যহীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
আইরিন খান বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সকল মানুষের বৈচিত্র্য এবং মর্যাদা রক্ষা করা হবে।
সোমবার জাতিসংঘে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান উল্লেখ করেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল- জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় বা জাতীয় বা জাতিগত পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশ্ব এখনও অনেক দূরে রয়েছে। এ সময় তিনি ডিডিপিএর পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিকতা এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক অবিচার থেকে উদ্ভূত কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় ন্যায়বিচার, শিক্ষা, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগণ, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা মানুষের অধিকার সুরক্ষা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন