প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আগামীকাল রবিবার আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের মাধ্যমেই ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নামবে। তবে টুর্নামেন্ট শেষ হলেও ফিফার টিকিট বিক্রি নিয়ে শুরু হওয়া তদন্ত থেমে থাকবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল জেনিফার ডেভেনপোর্ট জানিয়েছেন, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৮টি ম্যাচের টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়ে তাদের তদন্ত অব্যাহত থাকবে। তিনি শুক্রবার দ্য অ্যাথলেটিক-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ কথা বলেন।
গত মে মাসে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের সঙ্গে যৌথভাবে নিউ জার্সি কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করে। তাদের অভিযোগ হলো, ফিফা টিকিট বিক্রির সময় দাম বাড়িয়েছে, টিকিট বিক্রির পর স্টেডিয়ামের আসন বিন্যাস (সিট ম্যাপ) পরিবর্তন করেছে এবং কৃত্রিমভাবে টিকিটের সংকট সৃষ্টি করেছে।
ডেভেনপোর্ট বলেন, ফিফা শুরুর দিকে স্টেডিয়ামের আসনগুলোকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছিল। ক্যাটাগরি-১ ছিল সবচেয়ে আকর্ষণীয়। তবে টিকিট বিক্রি শেষ হওয়ার পর নতুন করে কিছু বিশেষ জোন তৈরি করা হয়, যেখানে সবচেয়ে ভালো আসনগুলো রাখা হয়।
“অনেক সমর্থক নতুন জোন চালুর আগেই টিকিট কিনেছিলেন। এরপর তারা সেই আসনগুলো না পেয়ে তুলনামূলক কম সুবিধাজনক আসনে বসতে বাধ্য হন। এমন অভিযোগও রয়েছে, কেউ কেউ যে ক্যাটাগরির টিকিটের মূল্য পরিশোধ করেছেন, বাস্তবে সেই ক্যাটাগরির আসন পাননি।”
শুধু নিউ জার্সি বা নিউ ইয়র্কই নয়, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যেও ফিফার টিকিট বিক্রি নিয়ে একই ধরনের অভিযোগের তদন্ত চলছে।
এছাড়া জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি আদালত ফিফার টিকিট রিসেলসংক্রান্ত নীতিকে প্রতারণামূলক এবং প্রভাবিত করার কৌশল বলে মন্তব্য করেছে। আদালত টিকটিকম্বোতে ফিফার টিকিট বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।
নিউজউইক-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশ অমান্য করলে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোমের বিরুদ্ধে জরিমানা এমনকি কারাদণ্ডের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন