প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা যদি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁদের আয়কর রিটার্ন জমা দেন, তাহলে তাঁদের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর রেয়াত পাবেন। ২০২৬ সালের অর্থ আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এই প্রণোদনা চালু করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা প্রদেয় করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত, তবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন। তবে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে কোনো কর রেয়াত পাওয়া যাবে না। আর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।
এনবিআর জানায়, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে প্রদেয় করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর হবে প্রদেয় করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি।
রাজস্ব বোর্ডের ভাষ্য, নতুন এ প্রণোদনার লক্ষ্য হচ্ছে করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের আগে রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করা, স্বেচ্ছায় কর পরিপালনের সংস্কৃতি জোরদার করা এবং কর প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করা।
২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ই-রিটার্ন সেবা গত ২২ জুলাই এনবিআর চালু করেছে।
করদাতারা (etaxnbr.gov.bd) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।
রিটার্ন সফলভাবে দাখিল হলে, করদাতারা তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকনলেজমেন্ট রিসিপ্ট ও আয়কর সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন। অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময় যদি কোনো সমস্যা হয়, তবে কর্মদিবসে অফিস চলাকালে এনবিআরের কল সেন্টার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন