প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ২১ পিস ইয়াবা, ৩ কেজি ২৩০ গ্রাম গাঁজা, দুটি ধারালো দা ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত তিনটি সুইস গিয়ার চাকুসহ সাতজনকে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।
বুধবার (১৯ আগস্ট ২০২৬) বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক হেলালুজ্জামান ও পুলিশ পরিদর্শক সুজিত গোমস্তার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে এসআই শাহীন, এসআই জাহিদ, এসআই আলম, এসআই মাহমুদসহ গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, কোতোয়ালি থানাধীন জিয়ানগর মোহাম্মদ আলী সড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. শামীম হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)-কে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।
কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর বউবাজার রনি কমিশনারের গলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোছা. সুমি আক্তার (৩৬)-কে ৯৬০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
এ ছাড়া কাউনিয়া থানাধীন দিঘীরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সাইফুল ইসলাম শান্ত (৪০)-কে ২১ পিস ইয়াবা, ২৩০ গ্রাম গাঁজা, দুটি বড় আকারের ধারালো দা এবং তিনটি সুইস গিয়ার চাকুসহ আটক করা হয়।
অন্যদিকে, কোতোয়ালি থানাধীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে অভিযান চালিয়ে মো. ফয়সাল বেপারী (২৬)-কে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। একই থানার গগনগলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে লাবনী আক্তার (২৬)-কে পাঁচ পিস ইয়াবাসহ এবং দপদপিয়া সেতু সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জহিরুল ইসলাম (৩৩)-কে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে পৃথক সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা, নগরীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নিরাপদ ও মাদকমুক্ত বরিশাল মহানগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন