০৯:০৮ এম
কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ভারতীয় এবং পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শ্রেদা আল-কাবি।
সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী আল-কাবি জানান, রোববার সন্ধ্যায় রাস লাফান শিল্পনগরীর বারজান স্থানীয় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে পরিচালন কার্যক্রম শুরু করার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডেরও সূচনা হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আহতদের মধ্যে ভারত, কাতার, তানজানিয়া, পাকিস্তান, গিনি, নেপাল, বাংলাদেশ, কেনিয়া ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন। আল-কাবি জানান, নিহত ১৩ জন ভারতীয় এবং পাকিস্তানি নাগরিক হলেও, তাদের মধ্যে কোন দেশের কতজন রয়েছেন তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: বাগদাদে বায়ুদূষণ শীর্ষে, ঢাকার অবস্থান ১৩তম
এদিকে দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এক বিবৃতিতে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বার্তায় দূতাবাস বলেছে, রাস লাফানের মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্বজনদের প্রতি তারা গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করছে।
নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য দূতাবাস দুটি সহায়তা নম্বর চালু করেছে। সেইসাথে যোগাযোগের জন্য একটি ডাকযোগে বার্তা গ্রহণের ঠিকানাও প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ভারতীয় দূতাবাস ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে জানিয়েছিল, এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই কঠিন সময়ে কাতার সরকারের পাশাপাশি দেশটির জনগণের প্রতি ভারতীয় দূতাবাস ও কাতারে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায় পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে। একই সাথে আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং নিখোঁজদের নিরাপদে ফিরে আসার কামনাও করা হয়েছে।
কাতার এনার্জি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি সেবাদানকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সূত্র: দ্য হিন্দু।
আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার ঢাকার মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট বন্ধ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন