শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩১ পি.এম
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ ‘স্ফুরণ-টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনের সন্ধানে’ নামক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে উদ্ভাবনী ধারণা খুঁজে বের করা। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের পেশাজীবীরা।
আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে উদ্ভাবনী ধারণা জমা দেওয়ার জন্য আগ্রহীদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ স্রেডার সহযোগিতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। জার্মান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে জিআইজেড কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে।
২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ১৫ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ধারণা আহ্বান করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতাটি দুটি বিভাগে বিভক্ত। গ্রুপ ‘এ’-তে দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিভাগের দুই শিক্ষার্থী মিলে দল গঠন করে অংশ নিতে পারবেন। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পেশাজীবীরা এককভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগের আওতায় সৌরবিদ্যুৎ, স্মার্ট সৌর সেচ, অফ-গ্রিড ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকায়ন, জ্বালানি সংরক্ষণ, বায়ুবিদ্যুৎ, দেশীয় সৌর প্যানেল ও ইনভার্টার উৎপাদন এবং কৃষিজমির সাশ্রয়ী ব্যবহারে এগ্রি-পিভি ও ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ধারণা জমা দেওয়া যাবে।
অন্য বিভাগের আওতায় জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন রান্নার ব্যবস্থা, জ্বালানি দক্ষতা পর্যবেক্ষণের ডিজিটাল সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক যান ও চার্জিং ব্যবস্থা, ভবনের জ্বালানি দক্ষতা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শীতলীকরণ, চাহিদা ব্যবস্থাপনা, পুরোনো স্থাপনা ও ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং আচরণগত পরিবর্তন ও নীতিগত প্রস্তাবনা নিয়ে ধারণা জমা দেওয়া যাবে।
অংশগ্রহণকারীদের তাদের ধারণার ব্যাখ্যা দিয়ে সর্বোচ্চ এক হাজার শব্দের একটি কনসেপ্ট নোট এবং ধারণার বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য প্রভাব তুলে ধরে তিন মিনিটের একটি ভিডিও জমা দিতে হবে।
আগ্রহী অংশগ্রহণকারীরা https://seideacontest2026.sreda.gov.bd/ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন ও তাঁদের উদ্ভাবনী ধারণা জমা দিতে পারবেন।
স্রেডার চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ বাসসকে জানিয়েছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নতুন ও বাস্তবসম্মত ধারণা পেতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি করছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করছে। তরুণদের এসব গবেষণালব্ধ ধারণা কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, স্রেডা দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চায়। এসব ধারণা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথ আরও সুগম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে গুলশান থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সাজ্জাতুজ জুম্মার বিরুদ্ধে একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাজ্জাতুজ জুম্মা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের দিলকুশা শাখার বিনিয়োগ গ্রাহক ছিলেন। ঋণ খেলাপির অভিযোগে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলায় আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং তিন কোটি টাকা জরিমানা করে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ অগাস্ট গুলশান থানা পুলিশ তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।
সাজ্জাতুজ জুম্মা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তবে খেলাপি ঋণের কারণে পরবর্তীতে তাকে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত রনি (৩২) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও র্যাব-৮। গত শুক্রবার বিকেলে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ভোরে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার শাহজাহানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। রনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনিতে তাঁর নিজস্ব বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার রনির বিরুদ্ধে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে সাহেব আলীকে (৪০) গুলি করে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে। র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে রনিকে প্রধান হত্যাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
র্যাব-১১ এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে র্যাব-১১ ও র্যাব-৮ এর একটি যৌথ দল ভেদরগঞ্জের শাহজাহানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনিকে আটক করে। পরে, তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জে তাঁর বাসায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং অস্ত্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন সাহেব আলী। র্যাবের ভাষ্যমতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে চলা গোলাগুলির সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি পাশের একটি খালে পড়ে যান এবং হামলাকারীরা সে অবস্থাতেও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ অব্যাহত রাখে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাব্বিরকে এর আগে গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রনির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পূর্বঘোষিত ‘লেহরো দো তিরঙ্গা’ (Lehra Do Tiranga) মার্চ বা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি শুরুর প্রাক্কালে দিল্লি পুলিশ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে আটক করেছে। এই ঘটনা ঘটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ১৪৪ ধারা বা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারির মধ্যেই। পুলিশের এমন পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় পুলিশ দীপকে তার নিজ বাসভবন থেকেই আটক করে। এর আগে দিল্লি পুলিশ তাকে একটি নোটিশে নির্দেশ দিয়েছিল যে, তিনি এমন কোনো কার্যকলাপে অংশ না নেন যা নাগরিক, পথচারী, রোগী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত বা অধিকারে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। সূত্র জানায়, এনসিপি-এসসি (NCP-SP) মুখপাত্র অনীশ গাওণ্ডের বাসভবন ছাড়ার সময়ই তাকে প্রিভেনটিভ ডিটেনশনে (নিবর্তনমূলক আটক) নেওয়া হয়।
এদিকে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক ও এর আশপাশের এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী। নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের ঘোষণা অনুযায়ী, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
নেতৃত্বের ওপর আকস্মিক এই পুলিশি হস্তক্ষেপে বিপাকে পড়লেও সিজেপি দমে যায়নি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিজিৎ দীপকে আটকে দেওয়া হতে পারে এমন আশঙ্কা তাদের আগেই ছিল। সেই অনুযায়ী তারা বিকল্প পরিকল্পনা বা ‘প্ল্যান বি’ তৈরি রেখেছে। দলের মিডিয়া উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেতা-কর্মীরা যাতে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে (পাঁচ জনের কম) কনট প্লেসে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকার সঙ্গে ছবি তুলে তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ এই তিরঙ্গা মার্চটি মূলত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবির প্রেক্ষিতে ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচির একটি অংশ ছিল। একই দিনে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনও (AISA) মান্ডি হাউস মেট্রো স্টেশনের সামনে একই দাবিতে বিক্ষোভের ডাক দেয়। সিজিপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা ইতোমধ্যে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকায় অভিজিৎ দীপের এই আটকের পর দলটি তাদের বিকল্প কৌশলের মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর পলাশে পৃথক ঘটনার মধ্যে শিয়ালের কামড়ে ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার আটিয়াগাঁও এবং ডাঙ্গা ইউনিয়নের খিলপাড়া-কান্দাপাড়া ও কামতাল গ্রামে এই ঘটনাগুলো ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. সাইফুল্লাহ (৪০), হেলেনা বেগম (৪৫), হাফিজা বেগম (৬০), খালেক মিয়া (৪০), মো. আল আমিন (৪০), তাসলিমা বেগম (৪৮), আনোয়ারা বেগম (৪৫), শাহিদা বেগম (৪৩), আবদুস সাত্তার (৬৫) এবং সালেহা বেগম (৪৫)। তারা ঘোড়াশাল পৌর এলাকা ও ডাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
আহত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত আটিয়াগাঁও, খিলপাড়া ও কামতাল এলাকায় একাধিক শিয়াল একের পর এক মানুষকে কামড়াতে শুরু করে। তবে শিয়ালের সংখ্যা কত ছিল, তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেননি। ভোরে কেউ ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাচ্ছিলেন, আবার সকালে কেউ বাড়ির আঙিনা বা আশপাশে কাজ করছিলেন। এ সময় তাদের ওপর শিয়ালগুলো হামলা চালায়।
আহত মো. আল আমিন জানান, ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার পথে হঠাৎ একটি শিয়াল তার পায়ে কামড় দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এলে শিয়ালটি পালিয়ে যায়। পরে তিনি নরসিংদী সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন এবং টিকা গ্রহণ করেন। তিনি জানান, এলাকায় শিয়ালের আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আটিয়াগাঁওয়ের বাসিন্দা এইচ এম কাউসার হোসেন বলেন, ভোরে ওই গ্রামের খালেক মিয়া ও আরো দুই নারীকে একটি শিয়াল কামড় দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন শিয়ালটিকে ধাওয়া করে গ্রামের একটি বাড়ির পাশের গর্তে ফেলে হত্যা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিপাশা মাসুক জানান, শিয়ালের কামড়ে আহত ১০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালের র্যাবিস ভ্যাকসিন কেন্দ্র থেকে তাদের প্রত্যেককে টিকা দেওয়া হয়েছে। পরে তারা বাড়ি ফিরে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ