প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের একযুগের ‘অন্তহীন’ দুর্নীতির জট খুলতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে যে, এতে সময় লাগছে। সংস্থাটি জানায়, কিছু প্রাথমিক নথিপত্র পাওয়া গেলেও বিস্তর অভিযোগের সমাধান করতে প্রচুর বেগ পেতে হচ্ছে। এবার দুদক আলাদা তিনটি চিঠির মাধ্যমে পাপনের সময়কালের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের রেকর্ডপত্র তলব করেছে। ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত; টানা একযুগ বিসিবির সভাপতি হিসেবে একচ্ছত্র ক্ষমতার ব্যবহার করেন নাজমুল হাসান পাপন। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ঢাকার পূর্বাচলে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের নির্মাণে অনিয়ম, কনসালট্যান্ট নিয়োগে জালিয়াতি, বিপিএল আয়োজন নিয়ে বিপুল লুটপাট এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের খোঁজে গেল বছর বিসিবিতে অভিযান চালানোর পাশাপাশি তলব করা হয় ২৩ ধরনের নথিপত্র। তবে এক বছরের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চললো, কিন্তু এখনও তা শেষ হয়নি। দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, বিশাল এই দুর্নীতির জাল ভাঙতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে বাড়তি সময় লাগছে। গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বরাবর তিনটি পৃথক চিঠি পাঠায় দুদক। এই চিঠিগুলোতে নাজমুল হাসান পাপনের একযুগের শাসনামলের সব ধরণের আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক নথিপত্র তলব করা হয়। উল্লেখ্য, বিসিবির দুর্নীতির পাশাপাশি পাপন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মামলার তদন্তও করছে দুদক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন