প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যে লড়াই উত্তেজনায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ম্যাচের প্রথম ১৩ মিনিটে বলের দখলে এগিয়ে রয়েছে মরক্কো (৬৮ শতাংশ) তবে গোলের সুযোগ তৈরিতে কানাডা এগিয়ে আছে। ইতিমধ্যেই তারা তিনটি শট নিয়েছে, যেখানে মরক্কো এখনো কোনো গোলমুখী সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
ম্যাচের ১৩তম মিনিটে কানাডার স্টিফেন ইউস্তাকিও ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শট নেওয়ার সুযোগ পেলেও তিনি সতীর্থ জনাথন ডেভিডকে পাস দিতে যান। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তে সম্ভাবনাময় আক্রমণটি নষ্ট হয়ে যায়।
এর আগে ১১তম মিনিটে মরক্কোর নাঈল এল আইনাউইয়ের ভুল পাস থেকে বল কেড়ে নেন কানাডার আহমেদ। তিনি দ্রুত তানিতোলুওয়া ওলুওয়াসেয়িকে বলটি বাড়িয়ে দেন। ওলুওয়াসেয়ি দারুণ দক্ষতায় ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচের কোণ লক্ষ্য করে শট নিলেও মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু পা বাড়িয়ে অসাধারণ সেভ করেন। ম্যাচের শুরুতে বারবার সতীর্থদের ভুল সামলাতে হচ্ছে এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষককেও।
নবম মিনিটে মরক্কো নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাসে খেলার গতি কিছুটা কমানোর প্রচেষ্টা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে ততক্ষণে কানাডা ম্যাচে নিজেদের ছন্দ পেয়ে গেছে।
সপ্তম মিনিটে কানাডার ধারাবাহিক আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণভাগ চাপে পড়ে। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া এই সুযোগ শেষ পর্যন্ত ক্লিয়ার করতে সক্ষম হয় মরক্কো, কিন্তু কানাডার আক্রমণাত্মক শুরু তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পঞ্চম ও ষষ্ঠ মিনিটে রিচি লারিয়ার দারুণ দৌড়ে প্রথম কর্নার আদায় করে কানাডা। ইউস্তাকিওর কর্নার থেকে বুনু বলটি মুষ্টিবদ্ধ করে ফিরিয়ে দিলেও কানাডা ফের আক্রমণে ওঠে। জনাথন ডেভিডের শটও দুর্দান্ত দক্ষতার সাথে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন বুনু।
অন্যদিকে, ম্যাচের শুরুতে মরক্কো নিজেদের রক্ষণভাগে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও কানাডার হাই প্রেসিংয়ে তারা বারবার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
হিউস্টনের ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় শুরু হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের বিজয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দলের মুখোমুখি হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন