প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ থেকে কোনো প্রকৃত মালিককে ইসলামী ব্যাংক অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়ে থাকলে, তাদের পুনরায় মালিকানায় ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার।
তিনি এ ব্যাপারে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবশ্যই ভালো ট্র্যাক রেকর্ড থাকতে হবে। ব্যাংকের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা থাকতে হবে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ব্যাংককে সচল ও শক্তিশালী করা আমাদের লক্ষ্য, এই লক্ষ্যে অধিকারী ও অভিজ্ঞ পুরোনো মালিকদের আবারও দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব আইন নতুন করে পর্যালোচনা করা উচিত। আবদুল হাই সরকারের মতে, অতীতের কারও অপরাধের দায় ভবিষ্যতের সৎ ও যোগ্য উদ্যোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অনুচিত।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে ক্ষমতার প্রভাবে ব্যাংক থেকে অর্থ প্রবাহিত করার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়া নয়। এভাবে অর্থ বের করা এক ধরনের লুটপাট, যা একটি সুস্থ ও শক্তিশালী ব্যাংককে ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলছে।
বিএবি চেয়ারম্যান বলেন, উদ্যোক্তাদের মধ্যে যাদের একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সক্ষমতা রয়েছে, তাদের ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত নয়। এ কারণে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
তার দাবি, দেশের ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন ও বিধান ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অতীতের কিছু অনিয়ম ও অপরাধের কারণে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের সুযোগ সীমিত করে দেওয়া উচিত নয় বলে তার মত।
বর্তমান বাস্তবতায় ব্যাংকি-সংক্রান্ত কিছু আইন পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন আছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, আজ ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি মো. আলতাফ হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত (চেয়ারম্যান চলতি দায়িত্ব) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন। সভাটিতে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত এমডি পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসিম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন