০৪:৪৭ এম
লিবিয়ার পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে গত এক সপ্তাহে অন্তত ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নারীও রয়েছেন। নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে নিরাপত্তা, নৌবাহিনী ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে
এ বিষয়ে নৌবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, একই ঘটনায় অন্তত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দাবি অনুযায়ী, নৌকাটিতে প্রায় ৬১ জন আরোহী উপস্থিত ছিলেন।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, মিশর সীমান্ত সংলগ্ন লিবিয়ার তোব্রুক শহরের উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। দুইজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর অনেকগুলোর ওপর পচন ধরেছে। উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আরও মরদেহ পাওয়া যেতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
তোব্রুক রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল উপকূলের পাথুরে এলাকা থেকে মরদেহ সংগ্রহ করে বিশেষ ব্যাগে সংরক্ষণ করছে।
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে লিবিয়ার উপকূল ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান রুট হয়ে উঠেছে। সংঘাত, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তির আশায় আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মানুষ বিপজ্জনক সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অন্যদিকে, পৃথক একটি ঘটনায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির উপকূলে নৌকাডুবির পর আরও ১৩ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্র জানাচ্ছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন