প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আর্জেন্টিনা যদি ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিততে পারে, তাহলে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রশাসন সোমবার (আগামীকাল) দেশটিতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ফাইনালের জন্য আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি রয়েছে এবং সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এই বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও প্রস্তুতি চলছে।
আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র ক্লারিন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ছুটি ঘোষণার বিষয়টিকে সম্পূর্ণভাবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। তবে যদি লিওনেল স্কালোনির দল চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
আর্জেন্টিনা সরকারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে জয় লাভের পর দেশটিতে যে অভূতপূর্ব উল্লাস হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটানো। সেইসময়, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলবের্তো ফের্নান্দেস এক জরুরি ডিক্রির মাধ্যমে দেশজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন, যার ফলে লাখ লাখ আর্জেন্টাইন রাস্তায় বেরিয়ে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয় উদযাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
এবারও মিলেইয়ের সরকার সেই একই পথ অনুসরণ করতে চায়।
ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ট্রফি জয়ী দলের দেশে ফেরার নিরাপত্তা এবং লজিস্টিকস নিয়ে আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে সরকার।
আর্জেন্টিনার সরকারি চিফ অব স্টাফ দিয়েগো সান্তিই জানিয়েছেন যে, যেকোনো রকমের বড় উদযাপনের নিরাপত্তা এবং লজিস্টিকস সহায়তার জন্য সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
যদিও তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, 'উদযাপনের ধরণ কোনরকম হবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের হাতে। সরকার এখানে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না। তারা যেভাবে চাইবে, আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাবো এবং সমর্থন দেব।'
যদি আজ আর্জেন্টিনা স্পেনের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে, তাহলে বুয়েনস আইরেসের রাস্তায় আবারও ২০২২ সালের মতো লাখো মানুষের এক ঐতিহাসিক ও জনসমুদ্রের মতো গণ-উদযাপন দেখা যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন