প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরে পাক সেনাবাহিনীর একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিরাপত্তা সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে, নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে রাজধানী মুজাফফারাবাদে জানাজা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছে। খবর এসেছে এএফপির মাধ্যমে।
একাধিক দিন ধরে, আজাদ কাশ্মীরে সহিংস বিক্ষোভ চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি অধিকার বিষয়ক গোষ্ঠীর ডাকা ধর্মঘটের ফলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অঞ্চলটির প্রধান শহর ও রাজধানী মুজাফফরাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।
সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি নাগরিক সমাজ জোটের সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১১ জন প্রাণ গেছে এবং পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) আজাদ কাশ্মীরের মুজাফফারাবাদের কাছে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। পাক সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং এক বিবৃতিতে জানায়, ‘বুধবার কারিগরি ত্রুটির কারণে মুজাফফারাবাদের কাছে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।’
সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, ‘বিমানের সকল আরোহী শাহাদাত বরণ করেছেন।’ তবে তারা তখন আক্রান্ত নিহতদের সংখ্যা উল্লেখ করেননি। আজ বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা সূত্রের মাধ্যমে জানানো হয়, দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর ২২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯ জন সেনা, একজন মেজর এবং দুইজন কর্নেল রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়া স্থানের পেছন থেকে ঘন কালো ধোঁয়া আকাশে উঠে যাচ্ছে। আজ নিহত সেনাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। তাদের কফিন পাকিস্তানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ছিল এবং কাশ্মীরে মোতায়েন থাকা আর্টিলারি ইউনিটের সদস্যরা সেগুলো বহন করেন। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক প্রযুক্তিগত কারণ নির্ধারণের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন