প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের সকল সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা শতভাগ নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর বেতন বিল ছাড় করা হবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাজিরা নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় দেওয়া নির্দেশনার অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অধিদপ্তরের আওতাধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে স্থাপিত বায়োমেট্রিক মেশিন চালু এবং সচল রাখতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে বায়োমেট্রিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তিও ব্যবহার করতে হবে। নির্দেশনায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
যারা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা, তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন বিল প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, যদি কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকে, তবে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতন বিল দেওয়া যাবে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ই-হাজিরা সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন) কাছে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন