প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিমানের টিকিটে সিন্ডিকেট ও অনিয়ম দমনে আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বিমান খাতে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে থাকার কথা জানায়।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হি। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএটিএ বিমানের টিকিটের সিন্ডিকেট দমন, বিমান খাতের আধুনিকায়ন এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৈঠকে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ‘টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এ ক্ষেত্রে আইএটিএর কারিগরি সহযোগিতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকার বিমান খাতে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।’
আইএটিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স টেকনিক্যাল সেন্টারকে (বিএটিসি) আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে উন্নীত করতে কারিগরি সহায়তার আগ্রহও প্রকাশ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পরিবেশবান্ধব বিমান পরিবহন নিশ্চিত করতে সরকার বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস-সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করেছে। একই সঙ্গে টেকসই এভিয়েশন ফুয়েল (এসএএফ) ব্যবহারের উদ্যোগ এবং আকাশপথে অপরাধ দমনে মন্ট্রিয়ল প্রটোকল-২০১৪ গ্রহণের বিষয়েও সরকার কাজ করছে।
বৈঠকে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার ও আইএটিএর ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন