প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সম্প্রতি হিমালয়ের বিশাল বরফ ধসে নেপালে এক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬২৬ জন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ৪,০০০ মিটারের চেয়েও বেশি উঁচুতে এখন আর তুষারপাত না হয়ে সরাসরি বৃষ্টি হচ্ছে, যা নদীগুলোতে হঠাৎ পানির জোয়ার এনে বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
তবে এই ধ্বংসলীলার কথা আগে থেকেই অনুমান করা গিয়েছিল। প্রায় পাঁচ মাস আগেই ‘আইসিআইএমওডি’ নামে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছিল যে, হিমালয়ের বরফ আগের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে গলছে।
১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এখানকার হিমবাহগুলো তাদের প্রায় ১২ শতাংশ এলাকা এবং ৯ শতাংশ বরফ হারিয়ে ফেলেছে। ১৯৭৫ সাল থেকে হিসাব করলে এখানকার প্রায় ২৭ মিটার পুরু বরফের স্তর পুরোপুরি গলে গেছে।
উচ্চ হিমালয়ের এই বরফই পুরো এশিয়া মহাদেশের পানির প্রধান উৎস। ভারত, নেপাল, চীন ও ভুটানসহ একাধিক দেশের প্রায় ২০০ কোটি মানুষ পানীয় জল, কৃষিকাজ ও বিজলীর জন্য এই নদীগুলোর ওপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়ায় সেখানকার বরফ গলে খালি পাথর বের হয়ে আসছে, যা সূর্যের তাপ বেশি টেনে নিয়ে অঞ্চলটিকে আরও উত্তপ্ত ও বিপজ্জনক করে তুলছে।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, উচ্চ পাহাড় থেকে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নদীতে গিয়ে পড়ার কারণেই হয়তো নেপালে এমন প্রলয়ঙ্করী ঢল নেমেছিল। হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলে যাওয়ার এই চিত্রটি আসলে পুরো বিশ্বের জন্যই এক চরম সতর্কবার্তা।
সূত্র: এনডিটিভি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন