প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার ধারিয়া গ্রামের কাঞ্চন মিয়া (২৯) ও শেরপুর সদর উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামের মঞ্জুরুল মিয়া। কাঞ্চন নির্বাচন অফিসের সাবেক আউটসোর্সিং কর্মী এবং মঞ্জুরুল বর্তমানে ওই অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমানের দায়ের করা মামলায় রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল, ওমর আলী, মঞ্জুরুল মিয়াসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নির্বাচন অফিস-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত ১১ আগস্ট রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে অফিসের আইডি ব্যবহার করে নূর হালিমা ও মুজিবুর রহমান নামের দুজনের ভুয়া কাগজপত্র সার্ভারে আপলোড করা হয়। তবে ওই তথ্য কে বা কারা আপলোড করেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযোগে নির্বাচন অফিসের সিসিটিভি নষ্ট থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে অফিসের আইডি ব্যবহার করে কীভাবে তথ্য আপলোড করা হলো এবং এতে কারা জড়িত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, মামলায় নাম থাকা রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েবসাইটে এসব ভুয়া তথ্যের অস্তিত্ব নেই। বাইরে থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে সনদ তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে।
গত ২০ জুলাই নির্বাচন অফিসের তিনজন আউটসোর্সিং কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল বলেও জানা গেছে। ওই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান জালিয়াতির কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের বিষয়।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় প্রকৃত জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন