প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের জন্য ১২ হাজার ৫০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের সমালোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম প্রায় দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তাহলে, কেন শ্রমিকদের আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দর-কষাকষিতে সরকারের ব্যর্থতার দায় নিতে হবে?
সাদিক কায়েম আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দেশে মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকায় একজন শ্রমিক কিভাবে নিজের এবং পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করবেন, এটি একটি গুরুতর প্রশ্ন। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা শুধু তাদের অধিকার নয়, বরং দেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত জরুরি।
তিনি অভিযোগ করেন, শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার শুরু থেকেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না করে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলা, মারধর ও নির্বিচারে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের এই ব্যর্থতার কারণে পতিত আওয়ামী লীগ আন্দোলনে সুযোগ নেওয়ার পরিবেশ পেয়েছে।
জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ডাকসু ভিপি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক ও মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য ইনসাফ নিশ্চিত হবে।
তিনি আরও বলেন, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে দ্রুত সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণ করতে হবে, কোনো ধরনের টালবাহানা না করে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে উসকানির অজুহাত দেখিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করা যাবে না।
বক্তব্যের শেষাংশে সাদিক কায়েম বলেন, "শ্রমিক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ।"
এআরবি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন