প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একটি বড় অভিবাসন আটক কেন্দ্রে বন্দীদের ওপর তীব্র নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ অভিবাসী তাড়ানোর বিশেষ পরিকল্পনার অধীনে 'ক্যাম্প ইস্ট মন্টানা' নামের এই বিশাল তাঁবু শিবিরটি নির্মিত হয়েছিল। এই কেন্দ্রটি চালুর মাত্র ৯ মাসের মধ্যে সেখানে ৩ জন বন্দীর মৃত্যু ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নসহ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন যৌথভাবে ২,৭০০-এরও বেশি বন্দীর সুরক্ষার দাবিতে আদালতে এই মামলাটি করেছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত এই কেন্দ্রের ভেতরে বন্দীদের জানালাবিহীন অন্ধকার ঘরে আটকে রাখা হয়। রক্ষীরা তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। ভেনিজুয়েলা ও ক্যামেরুন থেকে আগত কয়েকজন বন্দী জানিয়েছেন যে, জোর করে দেশে ফিরে যাওয়ার কাগজে সই করাতে এবং সামান্য হাঁপানির ওষুধ চাওয়ায় রক্ষীরা তাদের নির্মমভাবে মারধর করেছে। জানুয়ারি মাসে এই জায়গায় এক কিউবান নাগরিক মারা যান, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘাড় চেপে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। অন্য এক বন্দী ক্যান্সারের চিকিৎসা না পেয়ে মুক্তির পরপরই মৃত্যুবরণ করেন।
মার্কিন সরকারের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ বন্দীদের ওপর নির্যাতনের এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, এখানে কোনো বন্দী চিকিৎসাবঞ্চিত কিংবা মারধরের শিকার হচ্ছেন না। তবে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারের এক তদন্তে ধরা পড়েছে যে, এই ক্যাম্পটি বন্দীদের আটক রাখার অন্তত ৪৯টি নিয়ম লঙ্ঘন করেছে, যার মধ্যে চিকিৎসা ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো গুরুতর বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মানবাধিকার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, যেন কোনো মানুষ অমন অমানবিক আচরণের শিকার না হন, সে জন্য তারা এই আইনি লড়াই শুরু করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন